বিপিএলে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী কিংসকে ১২৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে খুলনা টাইটান্স। এ রান সংগ্রহ করতে পারলেই স্বপ্নের ফাইনালে পৌঁছে যাবে রাজশাহী। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে সামিত প্যাটেলের ঘূর্ণিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৫ রান করে খুলনা টাইটান্স। দলের পক্ষে আরিফুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৩২ রান করে।
রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর ফিল্ডিংয়ে শুরু থেকেই লাগামছাড়া খুলনা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে তারা। রাজশাহীর পক্ষে তিনটি উইকেট নেন সামিত প্যাটেল। এছাড়া আফিফ হোসেন, ফরহাদ রেজা, কেসরিক উইলিয়াম ও ড্যারেন স্যামি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
খুলনার সর্বোচ্চ ২৩ রানের জুটি আসে শেষ উইকেটে। মূলত আরিফুলের ২৯ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ৩২ রান খুলনাকে এ সংগ্রহ এনে দেয়। তার কল্যাণেই ১০০ রানের কোঠা পার করে খুলনা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কেসরিক উইলিয়ামের করা প্রথম ওভারের প্রথম বলে আব্দুল মজিদ চার হাঁকিয়ে যে সূচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তাতে সফল হয়নি খুলনার ব্যাটসম্যানরা।
তৃতীয় ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে দুই ওপেনার হাসানুজ্জামান ও আব্দুল মজিদ রান আউটের খড়গে কাটা পড়েন।
চতুর্থ ওভারে নাজমুল অপুর কাছে তালুবন্দি করে ফরহাদ রেজা তুলে নেয় শুভাগত হোমকে(৪)। চার ওভার শেষে খুলনার স্কোর ১৭/৩। তিন উইকেট পতনের পর পুরান ও হাউয়েল দেখে শুনে খেলতে থাকে। পঞ্চম ওভারে মেহেদি মিরাজের ওভারে পুরান দুটি চার ও একটি ছয়ে ১৪ রান নেন।
সপ্তম ওভারে আফিফের প্রথম বলে ছ্ক্কা হাঁকালেও ওভারের পঞ্চম বলে লং অফে ফরহাদ রেজাকে ক্যাচ প্রাকটিস করান পুরান (২২)।
৫৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা খুলনার ব্যাটসম্যানরা।তবে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তখন ক্রিজে, তার ওপর ভরসা করেই বুক বাঁধে খুলনার সমর্থকরা।
তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি।মাত্র ২০ রানের জুটি হয় হাউয়েল ও মাহমুদউল্লাহর। এগারোতম ওভারে প্যাটেলের বলে দলীয় ৭৪ রানের মাথায় হাউয়েল (১২)সাজঘরে ফিরে যাবার পর ১৪তম ওভারে আবারো সামিত প্যাটেলের আঘাত। নাজমুলের ক্যাচে পরিণত করে মাহমুদউল্লাহকে (২২) ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটাতে বাধ্য করেন তিনি।
৮২ রানে ছয় উইকেটের পতনের পর কেভন কুপারের দিকেই তাকিয়ে ছিল খুলনা শিবির। কুপারকে মাত্র ৪ রানেই কুপোকাত করেন সেই সামিত প্যাটেল। কুপারের আউটের পর নাইম ইসলাম জুনিয়র ও মোশারফ রুবেলকে ফিরিয়ে দেন ফ্যাঙ্কলিন ও ড্যারেন স্যামি।






