প্রথম ইনিংসে প্যাট কামিন্সের ক্যাচ ছেড়েছিলেন শফিউল। নইলে হয়ত আরও বড় রানের লিড পেতে পারত বাংলাদেশ। সেই আক্ষেপ না ফুরোতেই অজিদের দ্বিতীয় ইনিংসেও ক্যাচ মিসের মহড়া। ব্যক্তিগত ১৪ রানে জীবন পান ওয়ার্নার, আর ৩ রানে স্মিথ। স্বাগতিকদের জয়ের স্বপ্নে কাটা হয়ে দিনশেষে টিকে আছেন তারা দুজনই।
২৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা অজিরা ২ উইকেটে ১০৯ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করেছে। ওয়ার্নার ৭৫ ও স্মিথ ২৫ রানে ব্যাট করছেন। ক্যাচ মিসের বড় মূল্যই দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
সাকিবের বলে ওয়ার্নারের ক্যাচ ছাড়েন স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য। স্মিথ শর্টলেগে সুযোগ দেন ইমরুলকে। দিনের খেলা শেষে ব্যাটসম্যানদের কাছাকাছি দাঁড়ানো ফিল্ডারদের সামর্থ্য নিয়ে তাই প্রশ্ন উঠল স্বাভাবিকভাবেই। তবে তামিম ইকবাল আগলে রাখলেন দুই সতীর্থকেই। আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠেই বললেন, সুযোগ এলে তারা ক্যাচ লুফে নেবে।
‘দুইটা জায়গাই খুব কঠিন ফিল্ডিং করার জন্য, স্লিপ আর সিলিতে। আমার কাছে মনে হয়, আমাদের সম্ভাব্য সেরা ফিল্ডাররাই দাঁড়াচ্ছে। ইমরুল অনেকদিন ধরেই সেখানে দাঁড়ায়, সৌম্যও অনেকদিন ধরে করছে। এই একটা-দুইটা জায়গায় আসলে খুব সহজ ক্যাচও খুব কঠিন। তবে যারা আছে তারা নিজেদের সেরাটাই দিচ্ছে। তারা শুধু ম্যাচে এসে দাঁড়ায় না। বরং অনুশীলনেও কষ্ট করে। আমাদের ক্রিকেট যেমন উন্নত হয়েছে, ক্যাচিংয়েও উন্নতি হয়েছে। সুযোগ এলে তারা ক্যাচ লুফে নেবে।’
তামিমের দৃষ্টিতে দুটি সুযোগই বেশ কঠিন ছিল। তবে তা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ যে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিয়ে নিতে পারত সেই আক্ষেপও করলেন দুই ইনিংসেই দুর্দান্ত ব্যাট করা এই উদ্বোধনী।
‘জাস্ট হাতে লেগে পড়ে গেছে বলে যে সেটা ক্যাচ ছিল, ব্যাপারটা এ রকমও নয়। খুব কঠিন ছিল। সৌম্যরটা খুব দ্রুত ছিল। স্মিথ ও ওয়ার্নারের ক্যাচ দুইটা নিতে পারলে আমরা অবশ্যই খুব ভালো অবস্থানে থাকতাম। এখনকার যে পরিস্থিতি, এখনো তাদের ১৫৬ রান লাগবে, এই অবস্থায় আমরা তাদের কাজটা কঠিন করে তুলতে পারি, আবার সহজও করে দিতে পারি। আমাদের চেষ্টা থাকবে, ওদের কাজটা কঠিন করে দেয়ার। ওদের এই দুটা উইকেটের যেকোনো একটা যদি নিতে পারি, তাহলে ম্যাচটা আবার ওপেন হয়ে যাবে।’










