বরিশালের চিনিগুঁড়া, কালোজিরা, পাইজাম এবং কাটারিভোগ জাতের সুগন্ধিযুক্ত স্থানীয় জাতের চাল সারাদেশে সুপরিচিত। সেই তালিকায় ধীরে ধীরে সেই জায়গা দখল করে নিচ্ছে বিবি-৩৪ ধানের সুগন্ধি চাল।
কৃষকরা জানান, এই চাল খেতে খুবই স্বাদ। তাই লাভ না হলেও নিজের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
বরিশালে বছরে প্রায় ৫ হাজার মেক্ট্রিকটন সুগন্ধি চালের চাহিদা রয়েছে। গত দুবছর ধরে বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালির কৃষকদের মধ্যে বিবি-৩৪ জাতের বীজ সরবরাহ করছে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র ইন্সিটিটিউট বিবির বরিশাল বিভাগ।
বরিশালের উজিরপুরের কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই ধান যেহেতু কার্তিক মাসের মাঝামাঝি কাটা যায়, তাই এই ধান কাটার পর কৃষকরা কৃষি জমিতে অন্য ফসল করতে পারেন। সেই কারণেই কৃষকরা এই ধানের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ভালো ফলন পেয়ে কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে উন্নতজাতের সুগন্ধি চালের উৎপাদনের।






