কুমার সাঙ্গাকারার ৭৫ রানের ওপর ভর করে সিলেট সুপারস্টার্সকে জয়ের জন্য ১৬৭ রানের টার্গেট দিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। এর আগে সিলেট সুপারস্টার্সের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক নাসির হোসেন।
ইনিংসের চতুর্থ বলে স্কোর বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই সৈকত আলীর উইকেট তুলে নেন সুপারস্টার্স পেসার মোহম্মদ শহীদ। তবে শুরুর এ ধাক্কা খুব একটা কাবু করতে পারেনি ডায়নামাইটসদের।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে কুমার সাঙ্গাকারা ও সাদমান ইসলামের ৩২ রানের জুটিতে স্বস্তি ফেরে ঢাকা শিবিরে। এরপর ব্যাক্তিগত ১৫ আর দলীয় ৩৩ রানে সাদমান বিদায় নিলেও বড় স্কোর দাঁড় করাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নাসির বাহিনীকে।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক নাসির হোসেনকে সঙ্গী করে সাঙ্গাকারা ৬৬ রানের জুটি গড়লে বড় স্কোরের সুবাস পেতে থাকে ঢাকা।
তবে দলীয় ৯৯ রানে নাসিরের বিদায় কিছুটা চিন্তায় ফেলে দেয়। নাসির সুপারস্টার্সের বাহাতি বোলার নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। ফেরার আগে, ২৯ বল খেলে ৩ চারে সংগ্রহ করেন ৩৩ রান।
নাসিরের বিদায়ে সুপার সাঙ্গার সঙ্গী হন স্বদেশী লাহিরু থিরিমান্নে। দু’জন মিলে ডাইনামাইটসদের রানের চাকা সচল রাখেন। ব্যাক্তিগত ১৩ রান রানে যখন থিরিমান্নে ফিরে যান তখন তখন দলীয় স্কোর ১২৬। তার বিদায়েও এক প্রান্ত আগলে থেকে খেলতে থাকেন সাঙ্গাকারা।
সাঙ্গাকার বিদায় নেন ১৯তম ওভারে। মোহম্মদ শহীদের বল তুলে মারতে গিয়ে সীমানার কাছে মুমিনুলের তালুবন্দী হন এ লংকান। শেষ পর্যন্ত ঢাকার ইনিংস থামে ১৬৬ রানে।
ডাইনামাইটসদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন সাঙ্গাকারা এবং সিলেটের পক্ষে ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন মোহম্মদ শহীদ।
ছয় দলের প্রতিযোগিতায় আগের তিন ম্যাচে কোনটিতেই জয়ের দেখা পায়নি মুশফিকের সিলেট। অন্যদিকে আগের তিন মোকাবেলায় ঢাকার জয় দু’টিতে।






