সিলেট থেকে: রানের পাহাড় গড়ে ব্যাটসম্যানরা তৈরি করে দিয়েছিলেন জয়ের ভিত। সে আশায় বাধা হয়ে দাঁড়ান সিলেট থান্ডারের ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান শেরফানে রাদারফোর্ড। ৩৭ বলে ৬০ রান করে তিনি আউট হতেই বেজে ওঠে ইনসেপ্টা রংপুর রেঞ্জার্সের জয়ের বাদ্য।
সিলেটকে ৩৮ রানে হারিয়ে প্লে-অফে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল রংপুর। দশ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮। মিরপুরে তাদের শেষ দুটি ম্যাচ ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে। দুটি জয় তাদের নিয়ে যেতে পারে শেষ চারে। প্রথম চার ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা রংপুর দারুণভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিপিএলে।
রংপুর-১৯৯/৫, সিলেট-১৬১
২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট থামে দেড়শ পেরিয়ে। শেষ ব্যাটসম্যান মনির হোসেন চোটের কারণে নামতে পারেননি। ১৯.১ ওভারে ৯ উইকেট হারালে নিষ্পত্তি ঘটে ম্যাচের।
শুরুর ১০ ওভার সমানতালেই লড়ছিল সিলেট। যদিও বড় জুটি গড়তে পারেনি তারা। একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তুলতে থাকেন রাদারফোর্ড। তার একার লড়াই থামে ইনিংসের ১৭তম ওভারে রানআউট হয়ে।
রংপুরের পেসার মোস্তাফিজ, তাসকিন ও গ্রেগরি নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন ডেলপোর্ট ও নবী।
বিপিএল খেলতে এসে প্রথম চার ম্যাচে ধুঁকতে থাকা শেন ওয়াটসন রংপুরকে এনে দেন বড় সংগ্রহ। অজি ওপেনারের ৩৬ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস দলটিকে নিয়ে যায় রানের চূড়ায়।
ব্যাটে ঝড় তোলা ওয়াটসনকে থামান ইবাদত। দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে জাগান হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। আগের বলটিতে ক্যামেরুন ডেলপোর্টকে (২৫) পাঠিয়েছিলেন সাজঘরে।
ওয়াটসনের ৫ ছক্কা, ৬ চারের অসাধারণ ইনিংস থামে ১৫তম ওভারে। পরপর দুই বলে উইকেট হারালে রানের গতি কিছুটা কমে আসে রংপুরের। শেষদিকে মোহাম্মদ নবী ১৭ বলে ২৩ ও ফজলে রাব্বি ৮ বলে অপরাজিত ১৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে যান দুইশর কাছে।
শুক্রবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় রংপুর। নাঈম শেখের সঙ্গে ওয়াটসনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৭৭ রান।
সিলেটের ইবাদত ৪ ওভারে ৩০ রানে নেন ২টি উইকেট। সান্টোকি, রাদারফোর্ড ও মনির নেন একটি করে উইকেট।







