সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম বারের মত সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট হাতে মাঠে টাইগার ব্যাটসম্যানরা, বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৭০ রান। নির্ধারিত ৪০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে সফরকারী প্রোটিয়ারা।
টসে জিতে ব্যাট করতে নামা সাউথ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন আপে প্রথম আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। কুইনন্টন ডি কককে বোল্ড করে বাংলাদেশের পক্ষে সূচনা এনে দেন তিনি। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফিরে যান কক। স্কোর বোর্ডে রান ছিল মাত্র ৮।
এর পরের সাফল্য সাকিবের হাত ধরে। ১৩ ওভারের তৃতীয় বলেই মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আমলা। আর অষ্টম ওভারের প্রথম বলে ডু প্লেসিস সাকিবের বলে মিস টাইমিং করলে তা উইকেটের পাশেই সোজা উপরে উঠে যায়। সেই বল গ্লাবস বন্দী করতে ভুল করেননি উইকেট রক্ষক মুশফিকুর রহিম।
১৫ ওভারের ফেরেন রুশো। ওভারের প্রথম বলেই নিজের উইকেটের খাতা খোলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুশো। ২৩ ওভারে বৃষ্টির জন্য খেলা আড়াই ঘন্টার জন্য বন্ধ থাকে।
বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে ডেভিড মিলার কে ফেরা মাশরাফি। মাশরাফির বলে পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ‘কিলার’ মিলার। সাব্বিরের দুর্দান্ত ক্যাচে প্রোটিয়াদের ৬৩ রানের প্রতিরোধ জুটি ভাঙে।
৩৫ ওভারের প্রথম বলে ফারহান বেহারডিয়েনকে ফিরিয়ে টাইগারদের পক্ষে সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। মিলারের পর ফারহানের ক্যাচটিও নিয়েছেন সাব্বির রহমান। লং অনে সীমার কাছ থেকে দুর্দান্ত ভাবে ক্যাচটি লুফে নেন তিনি।
মিলার-ফারহানের পর এবার রাবাদকে সরাসরি বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রোটিয়াদের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান। অন্যদের আসা যাওয়ার মধ্যে এক প্রান্ত আগলে ব্যাট করছেন জেপি ডুমিনি।
ফেরার আগে ডুমিনি সংগ্রহ করেন ৫১ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান।
বৃষ্টি বিঘ্নিত শেষ ওয়ানডেতে নির্ধারীত ৫০ ওভার থেকে কমিয়ে ৪০ ওভারে নামিয়ে আনা হয়।
প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারিরা জয় পায় ৮ উইকেটে এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাঁচা মরার ম্যাচে টাইগাররা জয় পায় ৭ উইকেটের ব্যবধানে।
সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচে বাংলাদেশ আট ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলার কৌশলে অটল থাকলেও সাউথ আফ্রিকা তাদের স্কোয়াডে এনেছে পরিবর্তন। ক্রিজ মরিসের জায়গায় আজ প্রোটিয়া স্কোয়াডে আছেন মরনে মরকেল।
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান।
সাউথ আফ্রিকা: কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা (অধিনায়ক), জেপি ডুমিনি, ডেভিড মিলার, রাইলি রুশো, ফারহান বেহারডিয়েন, ফাফ ডু প্লেসিস, মরনে মরকেল, ইমরান তাহির, কাগিসো রাবাদা, কাইল অ্যাবট।






