সিরাজগঞ্জের মাঠে মাঠে চলছে বোরো রোপনের ব্যস্ততা। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্ষেত পরিচর্যা, রোপন ও বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন কৃষক। কৃষি বিভাগের পরামর্শে, পরিকল্পিত চাষাবাদ করে অধিক ফলন আশা করছেন তারা। সিরাজগঞ্জের কৃষক এবার উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান আবাদের পাশাপাশি সুগন্ধি জাতের ধান আবাদেও আগ্রহী হয়েছেন।
সারিবদ্ধ ভাবে চারা লাগানোসহ প্রাকৃতিক পদ্ধতি অবলম্বন করতেই বেশি আগ্রহী কৃষক।
সিরাজগঞ্জের এক কৃষক বলেন, লম্বা লাইন বা ল্যাপ পদ্ধতিতে ধান লাগাচ্ছি। এর ফলে জমিতে আলো বাতাস বেশি ঢুকবে।
আরেকজন কৃষক বলেন, উপকরণের মুল্যবৃদ্ধির কারণেই ধানের উৎপাদন খরচ বাড়ছে। কিন্তু বাজারমূল্য কম হওয়ায় লোকসান হচ্ছে।
ধানের উৎপাদন বাড়াতে নানা পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ওমর আলী শেখ বলেন, অল্প বয়সের চারা নিদিষ্ট দুরত্বে রোপন এবং লাইনে রোপন করে পার্সিং এবং অনান্য পরিচর্চা যেমন, লিপ কালার কালার চাষ প্রয়োগ করে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ সুষম সার প্রয়োগ ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা কৃষকদের ফলন বাড়িয়ে যাচ্ছি।
চলতি বছর জেলায় এক লাখ ৪০ হাজার চারশ’ হেক্টর জমিতে পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার সাতশ’ ৬০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।






