রেস্তোরাঁ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহনসহ সারা দেশের প্রায় এক হাজার স্থানে পাঁচশ’র বেশি ওয়াই-ফাই সংযোগ সেবা দিবে মোবাইল অপারেটর কোম্পানী রবি। দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। দেশে এখন ৬ কোটি ১২ লাখ ৮৮ হাজার মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এর বেশির ভাগই তরুণ। জনগোষ্ঠির এ বড় অংশকে শিক্ষা এবং কার্যকরী ইন্টারনেটের আওতায় আনতে রবি’র নতুন উদ্যোগ।
মঙ্গলবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় রবি। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
প্রকল্পের আওতায় ছ’মাসের মধ্যে সারা দেশের ৫শ’ শীর্ষস্থানীয় রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র, ১শ’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দর এবং স্টেশনসহ ১০ ধরনের পাবলিক প্লেস এবং সাড়ে ৩শ’ বাস, ট্যাক্সি ও ট্রেনে উচ্চগতির ওয়াইফাই সেবা চালু হচ্ছে।
রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সুপুন বীরাসিংহে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ মিশনটি আমাদের দেখিয়েছে ডিজিটালাইজেশন কিভাবে একটি দেশের উন্নয়নের ভূমিকা রাখে। কিভাবে সহযোগি হয়ে উঠে। সে কারণেই আমাদের ফোকাস এখন এ মিশন সম্পূর্ণ করা। এর জন্য প্রয়োজন সবার কাছে ইন্টারনেট পৌছানো। এরই মধ্যে দেখেছি ইন্টারনেটের দাম কমেছে, এখন বিনামূলে ওয়াই ফাই দেওয়া গেলে ডিজিটালাইজেশনের পথে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে যাবে।
মোবাইল সেবা দাতা সংস্থা রবি’র উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, এ উদ্যোগ ডিজিটাল হওয়ার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, যখন মানুষ ট্যাক্সিতে যান, ট্রেনে যাতায়ত করেন তখন তারা বেশি ব্রাউজিং করেন, এই সময়টিতে যদি তারা এ সার্ভিসটি পান তাহলে আমি মনে করি একটি সঠিক সময়ে সঠিক জনগোষ্ঠীর কাছে এই সেবাটি পৌছে দেওয়া সম্ভব হবে।যেহেতু আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তিকে সকলের কাছে নিরাপদ করা এবং সহজলভ্য করা। কাজেই এই ভাবে যদি আমাদের অন্য অপারেটররাও এতে অংশগ্রহন করেন তাহলে আমি মনে করি আমাদের একটি স্বপ্ন মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে ত্বরাণিত হবে ও বাস্তবায়ন হবে।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে দিয়ে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে সব জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌছে ওয়াই ফাই সেবা দেওয়া হবে। গণপরিবহনে সকলে ওয়াই ফাই ব্যবহার করতে পারলেও অন্যান্য স্থানে এ সেবা পাবেন কেবল রবি গ্রাহকরা।







