বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম ম্যাচটি জয় দিয়ে শুরু করেছিলো রংপুর রাইডার্স। চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ম্যাচটিতে সাকিবের উপস্থিতি তেমন চোখে না পড়লেও দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে যেনো শুধুই বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
এর মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচটিতে হেরে গেলেও সাকিব নেন তিনটি উইকেট। আর সর্বশেষ দুই ম্যাচেতো বলতে গেলে একাই প্রতিপক্ষকে পরাজয়ের স্বাদ দিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি।
বিপিএলের ১১তম ম্যাচে আজ ১৯.৫ ওভারে মাত্র ৮২ রানেই থেমে গেলো রংপুরের চতুর্থ জয়ের মিশনে রানের সংগ্রহ। টসে জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের যথার্থ ব্যবহার করলো নুয়ান কুলাসেকারা।
চার উইকেট শিকার করেন এই লঙ্কান পেসার। যার মধ্যে রংপুরের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানই তার শিকার। সিমন্স, সৌম্য, মিঠুনের পর সেনানায়েকেও ফেরেন তার বলে।
আজকের ম্যাচে অনুপস্থিত সাকিব গত ম্যাচগুলোতে শুধু বল হাতেই নয় ব্যাটিংয়েও শেষ দুই ম্যাচে করেছেন ৩৩ ও ২৪ রান। এর মধ্যে গতকাল সিলেট সুপারস্টার্সের বিপক্ষে করা ৩৩ রান ছিলো দলীয় সর্বোচ্চ।
সেই ম্যাচটিতেই আম্পায়ারের সাথে অসদাচরণের দায়ে একম্যাচ নিষিদ্ধ আর ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রংপুরের মূল নায়কের। তাই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পাকিস্তানের মিসবাহ উল হক।
সাকিবের নেতৃত্ব ও উপস্থিতির অভাবটা বড়ই প্রকট হয়ে উঠেছে মাশরাফির কুমিল্লার বিপক্ষে। ২৮ রান যেখানে দলীয় সর্বোচ্চ আর দ্বিতীয়তে ১১ রান তখন ব্যাটিং বিপর্যয়ের উল্লেখে যুৎসই শব্দ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। এই আসরে রংপুর রাইডার্সের সর্বনিম্ন স্কোর এই ম্যাচে।
বাংলাদেশের উদীয়মান তারকা আবু হায়দারের দুই উইকেট শিকারের পাশে একটি করে উইকেট নিয়েছেন সুনিল নারায়ণ এবং আশার জায়িদি।






