সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার সক্ষমতা এখনো আমাদের হয়নি জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিঞা বলেছেন, সাইবার ক্রাইমকে কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় সে চেষ্টা আমরা করছি।
“বিভিন্ন দেশের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধি-নিষেধ রয়েছে। আমাদের সরকারও সাইবার সিকিউরিটি আইনের কাজ হাতে নিয়েছে যা পুরোদমে এগিয়ে চলছে।”
শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এফডিসিতে সোশ্যাল মিডিয়ার অবাধ ব্যবহার নিয়ণ্ত্রণ বিষয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি, ব্র্যাক এবং এটিএন বাংলার যৌথ অয়োজনে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগীতায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সাইবার অপরাধ আমাদের দেশে নতুন করে শুরু হয়েছে। সেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণেরও চেষ্টা করছে সরকার। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কিছু কিছু অ্যাপস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ থাকা জরুরি। যেমন: হোয়াটস অ্যাপ, থ্রিমা। এসব অ্যাপসে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।
“ইতোমধ্যেই আমাদের তথপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে কাজ করছে। শুধু মাত্র এই সাইবার সিকিউরিটি আইন করে নয় এসব অ্যাপসের যারা সরবরাহকারি তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে এগুলো নিয়ণ্ত্রণ করা সম্ভব। যার চেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে। কারণ চুক্তি না থাকলে তারা আমাদের তথ্য দিবে না। চুক্তি হলেই বিভিন্ন সামাজিক যগোযোগ মাধ্যমের অ্যাপসগুলোর যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করা যাবে।”
আসাদুজ্জামান মিঞা বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিশোর তরুণদের অবাধ ব্যবহার ও আসক্তির কারণে অপরাধ প্রবণতাসহ নানান ধরণের সামাজিক ঝুঁকি তৈরী হচ্ছে। একই সাথে তরুণরা গ্যাং কালচারে জড়িয়ে মাদকাসক্তি, হত্যা ও খুনের মতো জঘণ্য কাজ করছে। যা থেকে পরিত্রাণের জন্য পিতা-মাতা, অভিভাবক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তাদের সন্তানদের প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে। যাতে করে তারা প্রয়োজন ছাড়া অবাধে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার না করতে পারে।’







