আরব ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারতকে জয়ের জন্য ৮২ রানের টার্গেট দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ৮১ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে শেষ হয় আমিরাত ইনিংস। আমিরাত ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়ার মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন সাইমন আনোয়ার। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৩ রান।
৫৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে ভারত।
মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ভারতীয় ওপেনার রহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান। দলীয় ৪৩ রানে রোহিত যখন আউটি হন তার আগেই জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে যায় ভারত। আউট সাইড অফে তিনি কাদেরের বলে নাভেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন শিখর ধাওয়ান এবং যুবরাজ সিং।
শুরুতেই আমিরাতের ব্যাটিং লাইন আপকে চেপে ধরে দুই ভারতীয় পেসার ভুবনেশ্বর কুমার এবং জাসপিত বুমরাহ। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে স্বপ্নিল পাতিলকে ফিরিয়ে ভারতেকে সাফল্য এনে দিয়েছেন ভুবনেশ্বর। ভারতের দ্বিতীয় সাফল্য বুমরাহ’র হাত ধরে। মোহাম্মদ শেহজাদকে ফেরান তিনি।
দলীয় ২৫ রানে রেহান মুস্তফা ফিরলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আমিরাত।। পান্ডের বলে কাভারে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। সাইমন আনোয়ারের সঙ্গে ২৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন উসমান। তিনি অভিষিক্ত পরণ নেগি’র শিকার।। নেগির বলে তিনি লং অফে হারভজনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। দলীয় স্কোর তখন ১৩ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান।
দুই রান বাদেই দলীয় অধিনায়ক আমজাদ জাভেদকে ফেরান হারভজন। হারভজনের বলে তিনি অফ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আমিরাত।
এরপরই উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই মুহাম্মদ কালিম যুবরাজ সিংয়ের শিকার হলে ১০০ রানের মধ্যেই আটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে আমিরাত। লং অনে তিনি পান্ডের তালুবন্দী হন।
কালিমের চার রান বাদে ফাহাদ তারিকও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। রান আউটের শিকার হন তিনি। আমিরাত ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়া মধ্যেই উইকেটের এক প্রান্তে আগলে খেলতে থাকা সাইমন ৪৩ রান করে ফেরেন ইনিংস শেষ হওয়ার আগের বলে। তিনিও রান আউটের শিকার।
আমিরাতের ইনিংস থামে ৮১ রানে সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে সাইমন আনোয়ারের ব্যাট থেকে।






