সরকারের কাছে কথা বলার অধিকার চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক। একই সঙ্গে আজকে বাংলাদেশে যে অবস্থা চলছে সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে খালেদা জিয়ার মুক্তি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি (একাংশ) আয়োজিত ২০ দলীয় জোট নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফারুক বলেন: আমরা চাই শান্তিপূর্ণ কর্সসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করতে। এই আইনী লড়াইয়ে মুক্তির মধ্য দিয়ে দেশে আরেকবার লুন্ঠিত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে, বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলা এবং জনসভা করার অধিকার ফিরে পাবো।
তিনি বলেন: আজকের এই মানববন্ধন থেকে আমরা বলতে চাই দেশ ও জাতির জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াত স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে অবদান রেখেছেন সেই অবদানের প্রেক্ষিতে জিয়াউর রহমান গৃহবধু হয়েও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। সেই লড়াইয়ে তিনি জয়লাভ করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।
সরকারের নিরাপত্তাহীনতায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে দাবি করে সাবেক এই বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ বলেন: বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার উস্কানি দিচ্ছে। এই অবস্থা পরিবর্তনে এই মূহূর্তে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচন প্রয়োজন।
তিনি বলেন: সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তাই সরকারের কাছে দাবি অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন।দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হোক। আমরা চাই আপনাদের সমালোচনা করতে পারি এমন একটি অধিকার। আমাদের কথা বলার নিশ্চয়তা দিবেন।
আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির চেয়ারপার্সনের আরেক উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী,ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী প্রমুখ।







