বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, কল্যাণপুরের অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করেছে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেবেনা সরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত সকল বিদেশীকে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তা দেয়া হবে।
পহেলা জানুয়ারি গুলশানের আর্টিজান বেকারি এন্ড রেষ্টুরেন্টে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশী নাগরিকসহ ২২ জন নিহত হয়। দেশ বিদেশে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং চার্জ দ্য এফেয়ার্সরা দেখা করেন বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকে জঙ্গি হামলার পর বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পরে এ বিষয়ে কথা বলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিঁয়েরে মেয়েদো।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে বাণিজ্যের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিক থেকেও বাংলাদেশকে অনেক সচেতন হতে হবে। আমি শুধু গুলশান, বনানীর কথা বলছি না। সারা বাংলাদেশেই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোড়দার করতে হবে। এজন্য অবশ্যই বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এ ধরণের ঘটনায় যেকেউ উদ্বেগ প্রকাশ করতেই পারে। তবে বাংলাদেশের মানুষ কখনো জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেবেনা। তিনি বলেন, কল্যাণপুরের ঘটনায় আমরা সারাবিশ্বকে ম্যাসেজ দিয়েছি যে বাংলাদেশ পারে। বাংলাদেশ কখনো জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিবে না। সেসবকে বৃদ্ধি করতে দিবে না বরং সেটা প্রতিহত করতে পারে। বিশ্ববাসী এটার প্রশংসা করেছে। এখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চলছে। সেদিন আর দূরে নয় যখন বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ মুক্ত হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৫ দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ৩ সচিবকে নিয়ে ওয়ার্কি গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। তারা বিদেশীদের নিরাপত্তায় যে কোনো সমস্যা নিয়ে কাজ করবে।







