নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে গ্রামবাসীর সাথে হিজবুত তাওহীদ কর্মীদের রক্তাক্ত সংঘর্ষের পর পুরো এলাকার পরিস্থিতি এখন থমথমে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে সোনাইমুড়ির পোরকরা গ্রামে হিজবুত কর্মী সমর্থক ও গ্রামবাসীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় হিজবুত তাওহিদের দুই কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা করে গ্রামবাসী। সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ একজন পরে মারা যায়। আহত হয় পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক। এ ঘটনাকে জামায়াতে ইসলাম ও হেফাজতের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে হিজবুত তাওহীদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হিজবুত তাওহিদ এলাকায় ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দিতে গেলে হিজবুত কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। সেসময় বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়, ব্যাপক ভাংচুরও চলে।
পুরো এলাকায় এখনো পরিস্থিতি থমথমে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের পাশিপাশি র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সংগঠনটি দাবি করছে, জামায়াত ও হেফাজতের কয়েক হাজার কর্মী তাদের সদস্যদের আক্রমণ করে বাড়িঘরে আগুন এবং ব্যাপক ভাংচুর করে। ওই ঘটনায় তাদের ১০ সদস্য নিহত এবং শতাধিক সদস্য আহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।







