ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন এইডস ইন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক এর ১২তম সম্মেলন। ২০৩০ সালের মধ্যে এইচআইভি এইডসের হার শুন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে এই অঞ্চলের ৫৬টি দেশ। এইজন্য এইডস রোগী সনাক্ত এবং ওষুধ সহজলভ্য করার ওপর জোর দেবে দেশগুলো।
১২ মার্চ ঢাকায় শুরু হয় ইন্টারন্যাশনাল কনগ্রেস অন এইডস ইন এশিয়া অ্যান্ড প্যাশিফিক-‘আইক্যাপ’র ১২তম সম্মেলন। তিন দিনের এই সম্মেলনের শেষ দিনে আজ ঢাকা ঘোষনা দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
২০৩০ সাল নাগাদ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলো এইচআইভি-এইডস নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও বাংলাদেশ ২০২০ সালেই এই লক্ষ্য অর্জন করতে চায়। এর জন্য ৯০ শতাংশ এইচআইভি রোগী সনাক্ত, ৯০ শতাংশ এইচআইভি-বা এইডস আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া এবং ৯০ শতাংশ এইচআইভি ভাইরাসের প্রকোপ কমিয়ে আনার কার্যক্রম সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো: নাসিম বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কার্যক্রম জাতীয় মূলধারার স্বাস্থ্যসুরক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে একত্রে কাজ করবে।
বিশ্বের সত্তর ভাগ জনগোষ্টির প্রতিনিধিত্বকারী ৫৬টি দেশের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশে এইচআইভি-এইডস মোকাবেলায় নিজ নিজ সরকারের অর্থায়নে তহবিল বাড়ানোর জোর দেন।
কম্বোডিয়ার সিনিয়র মন্ত্রী এং মাউলি বলেন, সিদ্ধান্ত প্রনয়ণকারীদের আমরা দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে কনভিন্স করার চেষ্টা করছি।
সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এইচআইভি-এইডসের বিষয়টি আলাদা করে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ।
জেনেভায় ইউএনএইডস’র প্রতিনিধি সুশীল পাটেকর বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সম্মেলনের পরে আমরা নজর দিবো কিভাবে ২০৩০ সালের লক্ষমাত্রা পূরণে আরো কিছু নতুন ভাবনা আনা যায়।
তিন দিনের এই সম্মেলনে দেশি-বিদেশি প্রায় আড়াই হাজার প্রতিনিধির উপস্থিতিতিতে আড়াই’শ টেকনিক্যাল সেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ধন্যবাদ জানান স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মঞ্চরুল ইসলাম ধন্যবাদ দেন।







