শ্রীলঙ্কায় পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ে রাজাপাকসে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি গোটাবায়া রাজাপাকসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, জনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি আইনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্র প্রধান।
ধর্মঘটের কারণে দোকানপাট ও গণপরিবহন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে পরিবহন ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে। ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের দ্বীপ দেশটিতে ব্যাপক জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ে রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয় সংসদে সামনে বিক্ষোভ করা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে।
জরুরী অবস্থা নিরাপত্তা বাহিনীকে বিচারিক তত্ত্বাবধান ছাড়াই দীর্ঘ সময়ের জন্য সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও কারাগারে রাখার ক্ষমতা দেয়। পুলিশ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র বলেছেন, আইনগুলি মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে। এদিকে রাজাপাকসে বলেছেন, ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ সত্ত্বেও তিনি পদত্যাগ করবেন না।
১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর থেকে শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে খারাপ সসয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারি, ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে সরকারের ট্যাক্স কমানোর কারণে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কবলে পড়েছে শ্রীলঙ্কা।








