মার্কিন নির্বাচনের শেষ বিতর্কে করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণ ও বাইডেনপুত্রের নামে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন দুই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলের বেলমন্ট ইউনিভার্সিটিতে এই বিতর্কে মুখোমুখি হন তারা।
তবে প্রথম বিতর্কের চেয়ে এবারের বিতর্ক বেশ ঠাণ্ডাই ছিল। ট্রাম্প দাবি করেছেন, করোনা মোকাবেলায় তার নেয়া পদক্ষেপে অনেক মানুষের জীবন বেঁচেছে।
বাইডেন অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প করোনা মহামারী মোকাবেলায় ব্যর্থতার দায় নিতে চাইছেন না। বিতর্কে বিচারপতি নিয়োগ ও ট্রাম্পের ট্যাক্স নিয়েও আলোচনা হয়।
বিতর্ক শুরু আগে দুই প্রার্থীর কোভিড ১৯ পরীক্ষা করা হলে ফল নেগেটিভ আসে। ৯০ মিনিটের বির্তকে মোট ৬টি ইস্যুতে প্রত্যেক বক্তাকে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য দু মিনিট করে সময় দেয়া হয়।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় দুই প্রার্থীর বিতর্ক শুরু হয়। শুরুতেই দুই প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয় করোনা মহামারী নিয়ে। বাইডেন অভিযোগ করেন, মহামারী মোকাবেলায় ট্রাম্পের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ট্রাম্প উদাসীন না হলে এক লাখ মানুষ বেঁচে যেত।
ট্রাম্প বলেন, করোনা সাথে নিয়েই বাঁচতে শিখেছে মার্কিনিরা। আগামী কয়েক সপ্তাহেই বাজারে ভ্যাকসিন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
জো বাইডেনের ছেলে হান্টারের ল্যাপটপের রেকর্ড তার কাছে আছে বলে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, হান্টার ইউক্রেন এবং চীনের সঙ্গে অবৈধ ব্যবসা করছে। বাইডেনও সেই অর্থের ভাগ পাচ্ছেন।
এরপর দুই প্রার্থীকে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশ্ন করা হয়। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়েও প্রশ্ন করা হয় দুই প্রার্থীকে। সেসময় ভুতুড়ে ইমেইল নিয়ে বাইডেনকে কটাক্ষ করেন ট্রাম্প।
বিতর্কে বিচারপতি নিয়োগ ও ট্রাম্পের ট্যাক্স নিয়েও আলোচনা হয়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবার মিউট বাটন অপশন ছিল।
আগামী ৩ নভেম্বর দেশের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। তবে অগ্রিম ভোট শুরু হয়ে গেছে সেখানে।
ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী ডো বিডেনের প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে এরই মধ্যে ৪ কোটি ৭০ লাখ ভোটার তাদের ভোট দিয়ে দিয়েছে।
২০১৬ সালে নির্বাচনের আগের ভোট দেওয়া ভোটারের থেকে এই সংখ্যাটা বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২৩ কোটি।







