হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের কোম্পানি রেড লাইন। সিভিল এভিয়েশনের বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেছেন, নিরাপত্তাসহ এভিয়েশন সেক্টরে যেসব পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে জনগন সেবা পেতে শুরু করবে এবং দেশও লাভবান হবে।
সিভিল এভিয়েশনের বিদায়ী চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হকের সংবাদ সম্মেলন বিকেলে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কোন বক্তব্য না দিয়ে প্রথমেই সাংবাদিকদের কাছে সরাসরি প্রশ্ন আহবান করেন তিনি।
সাংবাদিকরা জানতে চান হজরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পাওয়া যুক্তরাজ্যের কোম্পানি রেড লাইন এর সঙ্গে চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে।
বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হক বলেন, আমাদের প্রাইমারি ক্রাইটেরিয়া ছিলো আমরা যাদেরকেই নিবো, তাদেরকে অবশ্যই স্ক্রিণারস (স্ক্যানিং মেশিন যারা অপারেট করে) দিতে হবে। আমরা ১৫ জন স্ক্রিণারকে নিচ্ছি হিসাব নিকাশ করে। এই স্ক্রিণাররা মাত্র ১ মাস থাকবে বলেছি। কারণ আমি তাদেরকে দিয়ে কাজ করাতে চাই না। আমি আমার লোককে দিয়ে কাজ করাতে চাই। আমাদের কাজ ওরা নিয়ে যাচ্ছে না। আমাদের কর্মীদের মান ওরা (উচ্চমানে) ওইখানে নিয়ে আসবে।
এভিয়েশন খাতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অথরিটি প্রধান।
এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হক বলেন, আমাদের যখন অর্গানাইজেশন স্ট্রাকচার, আইন চলে আসবে, তখন আইনগতভাবে আমরা নতুন আঙ্গিকে রূপান্তরিত হওয়া শুরু করবো।
শুধু যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য নয় দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে ব্রিটিশ কোম্পানির সঙ্গে এই চুক্তি দাবি সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যানের।






