যশোরের শার্শা উপজেলায় অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার আমের ফলন হয়েছে বেশি। প্রতিদিন সেখান থেকে প্রায় ১০ ট্রাক আম যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বেনাপোলসহ শার্শার কৃষক ধানের আবাদি জমিতেই করেছেন আম বাগান। এতে ধানের চেয়ে বেশী লাভবান তারা।
বেশীরভাগ বাগানেই চাষ হয়েছে ল্যাংড়া, বোম্বাই, হিমসাগর, আমরুপালি, গোপালভোগ, কাটারিভোগসহ বিভিন্ন জাতের আম।
অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ফলন হয়েছে অনেক বেশী। একজন কৃষক বলেন, আমরা আড়তে নিয়মিত আম বেচা-কেনা করি। আমদের চাওয়া আমের দাম আরও বেশি হোক। এতে আমরা লাভবান হতে পারবো।
এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লাভ করছেন একেকজন বাগান মালিক।
আম বাগানের একজন মালিক বলেন, অন্য ফসলের চাইতে আম চাষটা লাভজনক বলে আমি এটি করি। অন্য বছরের চেয়ে আমের ফলন এ বছর অনেক বেশি হয়েছে।
প্রতিদিনই এখানকার আম যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এক আড়তদার বলেন, আমরা এখান থেকে কম দামে সরাসরি মাল কিনতে পারছি। এসব অাম বাইরে পাঠালে আমাদের ভালো লাভ থাকে।
সবচেয়ে বেশী বাগান রয়েছে শার্শার কায়বা ইউনিয়নে। এই এলাকার মাটি বেলে দোআঁশ ও উঁচু হওয়ায় আম চাষ বেড়েছে। বোরো ধান কাটার পর কৃষি শ্রমিক যখন বসে থাকেন তখন শুরু হয় আম পাড়া। এ জন্য আম পাড়তে ও প্যাকিংয়ে শ্রমিক পাওয়া যায় সহজে।
শার্শার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, বিঘা প্রতি কৃষকরা ৩৫-৪০ হাজার টাকা লাভ করবে। এখানে আম পাকানোর জন্য কোনো রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না।
কায়বা ইউনিয়নে একশো’৫০ হেক্টরসহ শার্শা উপজেলায় এ বছর তিনশ’ ২০ হেক্টর জমিতে রয়েছে আম বাগান।






