সবাই যখন উইকেট ছুঁড়ে এসেছেন, তিনি তখন ব্যতিক্রম। সবাই যখন এসেছেন আর গেছেন, তিনি তখন মিরাজকে নিয়ে ইনিংস বড় করছিলেন। শেষ পর্যন্ত মুশফিক-মিরাজের জুটিটা থেমেছে ১০৬ রানে। সঙ্গে একটা রেকর্ড।
টেস্টে বাংলাদেশের শতরানের জুটিতে মুশফিক এখন শীর্ষে। এখন পর্যন্ত ১৫টি শতরানের জুটিতে তার নাম। ১৪ বার নাম আছে হাবিবুল বাশারের।
১৫টি শতরানের জুটি গড়তে মুশফিকের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি থেকেছেন সাকিব আল হাসান। দুজনে চারবার বাংলাদেশকে শতরানের জুটি উপহার দিয়েছেন। কদিন আগে ওয়েলিংটন টেস্টে সাকিবের সঙ্গেই গড়েছেন রেকর্ড ৩৫৯ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহ, নাসির ও আশরাফুলের সঙ্গে মুশফিক শতরানের জুটি গড়েছেন দুবার। মিরাজ, নাঈম, মুমিনুল, মেহরাব জুনিয়র ও জুনায়েদের সঙ্গে গড়েছেন একবার করে।
মুশফিক বৃহস্পতিবার সাজঘরে ফেরেন ৮৫ রানের মাথায়। গলে সবশেষ খেলা ম্যাচে হাঁকিয়েছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি।
এই বছর মুশফিকের টেস্ট গড় ১০১.৭৫! পাঁচ ইনিংসে মোট ৪০৭ রান করেছেন তিনি। ওয়েলিংটনে ১৫৯ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৩ রান করেছিলেন। এরপর হায়দরাবাদে ১২৭ এবং ২৩ রানের ইনিংস খেলেন।
বাংলাদেশ তৃতীয় দিন সকালে সৌম্যকে হারিয়ে শুরু করে। মুশফিকের লড়াইটা শুরু হয় তখনই। প্রথম সেশনের ২৫ ওভারে তাকে রেখে চারজন ফিরে যান। রান আসে ৮০।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ৩১২ রানে। লঙ্কানদের থেকে মুশফিকরা তখন ১৮২ রানে পিছিয়ে। এরপর বৃষ্টি নামলে দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করা হয়।










