প্রথম ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করে এমনিতেই চাপে ব্রাজিল, তাছাড়া বিশ্বকাপে যেভাবে একের পর এক অঘটন ঘটছে তাতে চিন্তায় আছে কোচ টিটেও। তার চিন্তা আরও বাড়াচ্ছে নেইমারের ফিটনেস। কোস্টারিকা ম্যাচেও তার ফিটনেস নিয়ে চিন্তায় দল। তবে ফিটনেস নিয়ে শঙ্কার মাঝেই দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগের দিন স্পেশাল ভিডিও বার্তা দিয়েছেন নেইমার।
বিশ্বকাপের আগে থেকেই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন ছিল। প্রথম ম্যাচে সেভাবে নিজেকে মেলেও ধরতে পারেননি। তবুও দেখে মনে হয়েছিল ধীরে ধীরে ১০০ শতাংশ ফিটনেসের দিকে এগোচ্ছেন নেইমার। কিন্তু আবার ছন্দপতন ঘটে অনুশীলনে। আরও একবার পায়ে চোট পেয়ে খুঁড়িয়ে চলতে হয়েছিল তাকে। ব্রাজিল সমর্থকদের চিন্তা শুরু হয়েছে তখন থেকেই।
শুক্রবার শেষ পর্যন্ত নেইমার শুরু থেকে খেলবেন কিনা তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অন্য ফুটবলারদের মতোই নিয়মিত অনুশীলন করেছেন। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে কড়া ট্যাকলের মুখে পড়তে হয়েছিল ব্রাজিল মহাতারকাকে৷ আশা করা হচ্ছে কোস্টারিকাও একই কৌশল নেবে নেইমারকে রুখতে। সেক্ষেত্রে চোট আরও বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে, তাই শেষপর্যন্ত যদি নেইমার না খেলতে পারেন তার বিকল্পও ভেবে রাখছে সাম্বা-শিবির।
নেইমার ফিট না হলে তার জায়গায় খেলতে পারেন রেনেতো আগুস্তো। সেক্ষেত্রে নেইমারের পজিশনে কৌতিনহোকে সরিয়ে এনে তার জায়গায় খেলানো হতে পারে আগুস্তোকে। তবে, শেষপর্যন্ত যদি নেইমারকে ১০০ শতাংশ ফিট ঘোষণা করা হয় তাহলে প্রথম দলে কোনও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তার উপর এবার অনেক প্রত্যাশা সেলেসাওদের। আগের ম্যাচে সুইসদের সঙ্গে ড্র। ব্যর্থ হওয়ায় ভেসে আসছে নানা সমালোচনা। সমালোচনা হয়েছে তার চুলের স্টাইল নিয়ে। কথা শুনতে হয়েছে প্লে-অ্যাক্টিং নিয়েও।
তবে কোস্টারিকা ম্যাচের আগে নিজের টাইমলাইনে যেন সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন
ব্রাজিলের ‘ওয়ান্ডার কিড’ ৷ যদিও এটি একটি বিজ্ঞাপনী প্রচার। নেইমার নিজের বিজ্ঞাপনে বলেছেন ‘ভালো ছেলে বলে এই জায়গায় পৌঁছাইনি, আমার নাম নেইমার বলে এই জায়গায় পৌঁছাইনি, আমার হেয়ারকাটের জন্যও এই জায়গায় পৌঁছাইনি ৷ ’
তিনি আরও বলেছেন ,‘এই জায়গায় পৌঁছেছি ফুটবল খেলার জন্যই, যদি ফুটবল খেলা আমাকে এ জায়গায় আনতে পারে, যদি আমার সব স্বপ্নপূরণে সাহায্য করতে পারে, তাহলে আমার বদলানোরও কোনও প্রয়োজন নেই।’







