লিবিয়া উপকূলে প্রায় ৫’শ অভিবাসী নিয়ে ২টি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর মরদেহের সন্ধান করছে লিবীয় মাছ ধরার নৌকা। দেশটির কোস্টগার্ডের বেশিরভাগ নৌকা আর জাহাজই ছোট হওয়ায় গভীর সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা চালাতে সেগুলো কোনো কাজেই আসছে না।
তাই মরদেহের সন্ধানে ব্যবহার করা হচ্ছে মাছ ধরার নৌকা। দিনের মতোই রাতের আঁধারেও চলছে অনুসন্ধান।
বৃহস্পতিবার লিবিয়ার জুয়ারা উপকূল থেকে ২টি নৌকায় যাত্রা করা অভিবাসীদের গন্তব্য ইতালি থাকলেও তার আগেই লিবিয়া উপকূলের কাছে ঘটে করুণ পরিণতি। এই নৌকা ডুবিতে শিশুসহ ৬ বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে।
অনেক মরদেহ বিচ্ছিন্নভাবে উদ্ধার হওয়ায় মোট সংখ্যা স্পষ্ট নয়। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ ঘটনায় প্রায় ২’শ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাদেশী ছাড়াও নৌকা ২টিতে সিরীয় এবং আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলীয় বিভিন্ন দেশের মানুষ ছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই নৌকায় ৪৩ জন বাংলাদেশী থাকলেও বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া অধিকাংশকে লিবিয়ার দু’টি শরণার্থী শিবিরে নেয়া হয়। তারা জানান, সমুদ্রের পানিতে সারা রাত লাইফ জ্যাকেট আঁকড়ে বেঁচে ছিলেন তারা।
দফায় দফায় অভিবাসীর মৃত্যুতে টনক নড়েছে ইতালির। বুধবার লিবীয় উপকূলে ভাসমান একটি জাহাজের খোল থেকে ৫২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিলো।
সুইডিশ জাহাজ ‘পোসাইডন’ মরদেহ এবং জীবিত প্রায় ৫শ’ ৭১ জনকে সিসিলিতে নিয়ে যায়। তাদের মধ্য থেকে ১০ সন্দেহভাজন মানবপাচারকারীকে গ্রেফতার করে ইতালির পুলিশ। গ্রেফতার হওয়াদের বিরুদ্ধে হত্যাকান্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।






