যুক্তরাজ্যের এসেক্সে পণ্য সংরক্ষণের জন্য রেফ্রিজারেটেড লরি কন্টেইনারের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া ৩৯ জনের সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক ছিলেন।
এসেক্স পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘নিহতদের প্রাথমিকভাবে চীনা বলে মনে করেছিলাম। তবে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি পরিবার এবং ভিয়েতনাম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ আমরা এই মুহূর্তে নিশ্চিত যে, ওই লরিতে পাওয়া মৃতদের সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক।’
বিবিসি জানায়, মৃত্যুর কারণ জানতে ৩১ জন পুরুষ ও ৮ জন নারীসহ মোট ৩৯ জনের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে।
লন্ডনের ভিয়েতনাম দূতাবাস জানিয়েছে, আমরা এ ঘটনায় গভীরভাবে দুঃখিত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা।
নিহত একজনের বাবা বিবিসিকে জানিয়েছেন: তার সন্তানও মৃতদের তালিকায় রয়েছে। তার সন্তানের নাম লে ভ্যান হা। বয়স ৩০ বছর।
গত মঙ্গলবার রাতে এক তরুণী তার পরিবারের কাছে মোবাইল বার্তা পাঠিয়ে বলেছেন, তাদের বিদেশ যাত্রা ব্যর্থ হয়েছে। তিনিও ওই মৃতদের মধ্যে রয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে ২৫ বছর বয়সী চালক মরিস রবিনসনকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অনিচ্ছাকৃত হত্যা (ম্যানস্লটার) ছাড়াও তার বিরুদ্ধে মানবপাচার এবং অভিবাসন ও অর্থ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসেক্স পুলিশ।









