রান তখন ৯৬। মোস্তাফিজুর রহমানের বলটাকে লেগ সাইডে আলতো খোঁচা মেরেই ৯৭ রানের পথে ছুটলেন জেসন রয়। লেগ সাইডে মিসফিল্ডিং হওয়ায় সেই এক রানের জায়গায় বলটা চলে গেল বাউন্ডারির বাইরে। অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই নবম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান।
মিসফিল্ডিং হওয়ায় বল কী বাউন্ডারির বাইরে যাচ্ছে কিনা সেদিকেই নজর ছিল রয়ের। ছুটতে ছুটতে খেয়ালই করেননি যে সামনে দাঁড়িয়ে আম্পায়ার জোয়েল উইলসন। সোজা তার গায়ে দিয়ে বসলেন গুঁতো!
গুঁতো খেয়ে চিৎপটাং। কিছুক্ষণ মাঠেই পরে ছিলেন উইলসন। রয় নিজেও খানিকটা ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। উদযাপন ভুলে তাই ক্যারিবীয় আম্পায়ারের সেবা করলেন। রয়ের সাহায্য নিয়ে শেষ পর্যন্ত যখন উঠে দাঁড়ালেন, তখন দুজনের মুখেই হাসি।
রয়ের মুখে অবশ্য হাসি থাকাই স্বাভাবিক। শুরু থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের নাচিয়ে ছেড়েছেন এই ইংলিশ ওপেনার। ঝড়ের গতিতে ৯২ বলে তুলেছেন নিজের নবম শতক।
শেষ পর্যন্ত ১৫৩ করা রয়ের ঝড় থামান মেহেদী মিরাজ। ৩৫তম ওভারে মিরাজকে টানা তিন ছক্কা মারা রয় চতুর্থ বলটাও চেয়েছিলেন মাঠ ছাড়া করতে। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে শেষ পর্যন্ত জমা পড়ে মাশরাফীর হাতে।
১২১ বলের ইনিংসটি ১৪ চারে সাজিয়েছেন রয়। যে পাঁচটি ছয় মেরেছেন তার তিনটিই এসেছে মিরাজের সেই ওভারে।







