মিয়ানমারে সহিংসতার পর রাখাইন ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গাদের ঢল নামছে। সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে অনুপ্রবেশের সময় ৮৬ জনকে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মিয়ানমারের আরকান থেকে পালিয়ে আসা অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার।
বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে মিয়ানমারের পুলিশ চৌকিতে রোহিঙ্গাদের হামলার পর অশান্ত হয়ে উঠে রাখাইন রাজ্য। এর পর সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হামলার পর জ্বলছে রোহিঙ্গা বসতি। চলছে সশস্ত্র সংঘাত। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান আর নির্যাতনের মুখে বসত বাড়ি ছেড়ে প্রাণ বাচাঁতে পালাচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলমানরা। প্রথমে তারা পাহাড়ে পরে সুযোগ বুঝে চলে আসছে বাংলাদেশ সীমান্তে। বিজিবির কঠোর নজরদারির মধ্যেই রাতের আঁধারে সীমান্তের ১৮ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে অনেক রোহিঙ্গা।
অনেককেই আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাচ্ছে বিজিবি। এখনো সীমান্তের প্রায় ২০ কিলোমিটার জুড়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। এছাড়াও উখিয়ার রহমতেরবিল ও ধামনখালী সীমান্ত দিয়ে বিজিবির কড়া নজরদারির মধ্যেই ছোট ছোট নৌকায় রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসছে রোহিঙ্গারা। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন বিজিবি মহাপরিচালক।
আনান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্টে হামলায় ৮৯জন নিহত হয়। এর পরই সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছরের ৯ অক্টোবর সহিংসতার পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ৭৮ হাজার রোহিঙ্গা।
বিস্তারিত দেখুন কক্সবাজার থেকে সরওয়ার আজম মানিকের পাঠানো তথ্য ও ভিডিওচিত্রে মৌসুমী সুলতানার রিপোর্টে:










