সকালের পেস আর বিকেলের স্পিনে শেষ বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সম্বল ২৬০।
প্রথম টেস্টের এই দিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কী? এমন উত্তর খুঁজতে গেলে তামিম-সাকিবের ১৫৫ রানের জুটি ছাড়া কিছুই পাওয়া যাবে না। তারা দুজন যখন এভাবে ব্যাট চালিয়ে দলকে পথে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন, তখন অন্যরা মিলে করেছেন ১০৫ রান।
সকালে প্যাট কামিন্স উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আগুন ঝরান। সৌম্য, ইমরুল মানসিকভাবে কোন অবস্থায় আছেন তা ওই প্রথম চার ওভারে বোঝা গেছে। কামিন্সের শর্টবলের কোনও উত্তরই ছিল না তার কাছে। শারীরিক ভাষায় দৃষ্টিকটু জড়তা। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’র অবস্থা থেকে মুক্তি পান। সৌম্যর অবস্থা ড্রেসিংরুমে বসে খেয়াল করছিলেন ইমরুল। তিনি যখন ওই শর্টবলের ভাবনায় আচ্ছন্ন, তখন স্লোডেলিভারি দেন চতুর কামিন্স। বল শেষ মুহূর্তে খানিকটা নিচুও হয়ে যায়। ইমরুল তালগোল পাকিয়ে ব্যাট দিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন।
ঠিক পরের বলে এসেই বিদায় নেন সাব্বির রহমান। সাব্বিরের মতো হিটার কেন টেস্টে? একাদশে সৌম্য’র যায়গা পাওয়ার মতো এই প্রশ্নও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডালপালা মেলছে। সাব্বিরকে নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। কিন্তু এই ইনিংসের আউট দিয়ে তাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেয়া যায় না। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওয়াইড ইয়র্কারের মুখোমুখি হন। বল সামলাতে ঠিকমতো ব্যাটও দেন। বল যায় উইকেটের পেছনে। আবেদন ওঠে। আম্পায়ার সাড়া দেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি সাব্বির।
এই অবস্থার পর সাকিব, তামিম ক্যারিয়ারের পঞ্চমতম টেস্ট খেলতে নেমে দুজনেই অর্ধশতক তুলে নেন। তামিম ফেরেন ৭১ রানে। সাকিব ৮৪ করে। শেষ দিকে নাসির ২৩ রান করে ফেরেন। এরপর সর্বোচ্চ রান মুশফিক এবং মিরাজের। দুজনই ১৮ রানের মাথায় আউট হন।
কামিন্স শুরুর তিন উইকেট নেয়ার পর দুই স্পিনার লায়ন তিনটি আর অ্যাগার তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে শেষ করে দেন।










