রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই সংসদে জিয়া পরিবার নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার সকালে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন বিএনপি নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রমুখ।
বিএনপি নেতারা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার কূটনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এই ব্যর্থতা ঢাকতে এবং রোহিঙ্গা ইস্যুকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বুধবার সংসদে জিয়া পরিবারের সম্পদ নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে।
তারা বলেন, জিয়া পরিবার নিয়ে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে তা ভিত্তিহীন, মিথ্যা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
বিএনপি নেতারা বলেন, জিয়া পরিবার নয় বরং আওয়ামী লীগই কানাডা, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ডহোম গড়ে তুলছে। দেশের সম্পদ লুট করছে।
এর আগে বুধবার জাতীয় সংসদে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের নামে বিদেশে কী কী সম্পদ আছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে এবং সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
এছাড়া বিদেশি একটি সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ফখরুল ইমাম জানান, দুবাইসহ অন্তত ১২টি দেশে জিয়া পরিবারের সম্পদ আছে। এই সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। দুবাইয়ে খালেদা জিয়ার মালিকানায় একটি শপিং মল রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, কাতারে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ‘ইকরা’-এর মালিক আরাফাত রহমান কোকো। খালেদা জিয়ার ভাগনে তুহিনের নামে কানাডায় তিনটি বাড়ি রয়েছে।
বিএনপি সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ, সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা আমিনুল হক, মওদুদ আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী-সন্তান এবং বিএনপির আরেক নেতা নজরুল ইসলাম খানের বিভিন্ন দেশে থাকা সম্পদের বিবরণীও তুলে ধরেন তিনি।







