পাহাড় কিংবা অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এবং বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের বালুখালী ও কুতুপালং ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যারাক তৈরীর প্রাথমিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
ত্রাণ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও ভালো সেবা নিশ্চিত করতেই রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট একটি এলাকায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ টি ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়েছিল। ত্রাণ, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করতে উখিয়ার কতুপালং ও বালুখালী ক্যাম্পের পরিধি আরও বাড়িয়ে তাদেরকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত হয় প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরেই।
এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অন্য ক্যাম্পগুলিতে থাকা উদ্বাস্তুরা আগে বিভিন্ন পাহাড়ে গড়ে তোলা ঘরবাড়ি ভেঙে নতুন ঠিকানায় যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।
এছাড়া সব উদ্বাস্তুদের জন্য ত্রাণ, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানিসহ অন্যান্য সুবিধার মান আরেক ধাপ বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ অঞ্চলের ত্রাণ সমন্বয় অঞ্চলের সমন্বয়কারী ড. দিদারুল ইসলাম।
তিনি জানান, আগামী দু’মাসের মধ্যে ব্যারাক তৈরীর কাজ শেষ হলে অন্য ১২টি ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।
আরও দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








