আদালত

রাষ্ট্রপতির কাছে জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন বাতিল

রাষ্ট্রপতির কাছে জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন বাতিল

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নানের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এতে জেলকোড অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আর কোন বাধা থাকলো না।

১৯ মার্চ দেওয়া রিভিউ খারিজের রায় ২১ মার্চ প্রকাশিত হয়। এবং ২২ মার্চ  মুফতি হান্নানকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রায় পড়ে শোনানো হয়। ২৩ মার্চ  মৃত্যুদণ্ড বহাল রায়ের কপি কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী মুফতি হান্নান ২৭ মার্চ সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে তাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। তারা এই আবেদনপত্রটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়। ঐ আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ আবেদন খারিজ করে দিলেন রাষ্ট্রপতি। এদিকে কারা কর্তৃপক্ষ শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ এ বিষয়ে সরকারের কোনও নির্দেশ পায়নি, তবে সব ধরনের প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন।

ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।

গত বছরের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ১৪ জুন রায় হাতে পাওয়ার পর ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি হান্নান ও বিপুল। অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন আপিল না করলেও আপিল বিভাগ তার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করে।

আপিলের শুনানি শেষে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ  হয়ে যায়। গত ১৭ জানুয়ারি এ রায় প্রকাশের পর আসামিরা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ১৯ মার্চ দেওয়া রিভিউ খারিজের রায় ২১ মার্চ প্রকাশিত হয়। এবং ২২ মার্চ কাশিমপুর কারাগারে মুফতি হান্নানকে রায় পড়ে শোনানো হয়। এ বিবেচনায় স্পষ্ট ২৯ মার্চ  মুফতি হান্নান প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন।

বিষয়:হাইকোর্টের রায় বহাল

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…