পরিসংখ্যানে নজর দিলে আপনাকে হতাশ হতে হবে। টি-টুয়েন্টিতে এখনো সাউথ আফ্রিকাকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলাফল ৮-০। ২০০৭ থেকে ২০২২ এই পনেরো বছরে ৮ বার মুখোমুখি হলেও জয় অধরাই থেকে গেছে। গত দুই বছরে মাঠে নামার উপলক্ষই তৈরি হয়নি। টি-টুয়েন্টির অন্যতম শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে রাত সাড়ে আটটায় বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের ভেন্যু নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। যেখানে রোববার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি হয়েছে কম রানের। তারপরও ছিল রোমাঞ্চকর উত্তেজনা।
বিশ্বকাপ মিশনের প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আগেভাগেই গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সিরিজের ফলাফল বাংলাদেশকে দেয় বড় হোঁচট।
ডালাসে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেই হতাশা পেছনে ফেলে এসেছে বাংলাদেশ। চোখ এখন সুপার এইটে। প্রোটিয়াদের আজ হারিয়ে দিলেই অনেকটা নিশ্চিত দ্বিতীয় রাউন্ড।
দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, বিশ্বকাপে রান খুব বেশি হবে না। তখন আইপিএল চলছিল এবং রানের জোয়ার বইছিল ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টুয়েন্টিতে। সেই ধারাতেই প্রশ্নটা রাখা হয়েছিল শান্ত কাছে। কেননা রান করছিল সব আন্তর্জাতিক তারকারা।
শান্তর কথার সঙ্গে অনেকেই সহমত পোষণ করতে পারেননি। যদিও শান্তর ধারণাকেও এক ধাপ ডিঙিয়ে রান হচ্ছে খুবই কম। বিশেষ যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া ম্যাচগুলোতে রানের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে ব্যাটারদের। তুলনামূলক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে রান কিছুটা বেশি হচ্ছে।
নিউইয়র্কে গতকালকের ম্যাচে ভারত মাত্র ১১৯ রান করে চিরপ্রতিদ্বন্দী পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে। সেই মাঠে বাংলাদেশের সাউথ আফ্রিকা পরীক্ষা।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে লঙ্কানদের বিরুদ্ধে বোলাররা করেছেন দারুণ। মিডলঅর্ডারে ভরসা মিলেছে তাওহিদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে। লিটন দাস ভিন্ন ছকে রান করলেও মন ভরাতে পারেননি। শান্ত-সাকিবরা বড্ড হতাশ করেছেন।
বরাবরের মতোই ব্যর্থ টপঅর্ডার। ওপেনিং হয়ে উঠেছে দুর্ভাবনার অপর নাম। তানজিদ-সৌম্য জ্বলে উঠলেই সহজ হয়ে যায় সব। আজই কি সেই দিন, ওপেনারদের ব্যাটে ভরসা পাবার?








