বিমানবাহিনীর রাডার ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদসহ সব আসামি। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা এ রায় দেন।রাষ্ট্রপক্ষ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি বলেই খালাস দেয়া হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালত। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এরশাদসহ অন্য আসামির আইনজীবীরা।
রায়ের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করেন এরশাদসহ অন্য আসামির আইনজীবীরা।
রায়ের পর দলের নেতা-কর্মীদের অভিনন্দনে সিক্ত হয়ে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন এরশাদ।
এরশাদ ছাড়াও আসমি করা হয় বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত এয়ারভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদসহ ৫ জনকে। এরমধ্যে একজনকে অব্যাহতি দেয়ায় এবং আরেকজন মারা যাওয়ায় আসামি ছিলেন তিনজন।
তদন্ত শেষে ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে এরশাদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
মামলা দায়েরের ২৫ বছর পর রায়কে কেন্দ্র করে পুরনো ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় করেন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও নেতা-কর্মী বেষ্টিত হয়ে এরশাদ আদালতে প্রবেশ করার পরই রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:










