চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

রাজধানী নিয়ে ভাবতে আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে নাতো?

সীমান্ত প্রধানসীমান্ত প্রধান
৫:৪৫ অপরাহ্ণ ৩০, জুলাই ২০১৭
মতামত
A A

একদিকে যানজট অন্যদিকে জলজট এই দুই এখন অচল করে দিচ্ছে রাজধানীর জীবনযাত্রা। যানজট নিরসন চাই, জলাবদ্ধতা নিরসন করুন বলে চিৎকার চেঁচামেচিতে হুলুস্থল অবস্থা নগরবাসীর। নগরপরিকল্পনাবীদরা দিচ্ছে নানা পরামর্শ। দুই সিটি করপোরেশন মেয়রসহ সরকার সংশ্লিষ্টরাও এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু না হলেও বছরের পর বছর ধরে আশার বাণীই শুনে যাচ্ছেনগরবাসী।

তবে রাজধানী নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যানজট আর জলজট নিরসনের জন্য। কোনো আশা নয়, এজন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যথাযথ উদ্যোগগ্রহণ করতে হবে রাজধানীর যানজট আর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে। খুঁজে বের করতে হবে যানজট ও জলজট সৃষ্টির মূল উৎস পথ।

এদিকে এবারের আষাঢ় ও শ্রাবণের অঝোর বৃষ্টিতে পাল্টে গেছে পুরো রাজধানীর চিত্র। ক্ষেত্র বিশেষ হাঁটু পানি থেকে শুরু করে কোমর পানি পর্যন্ত মূল সড়কে দেখা গিয়েছে। এমন চিত্র এর আগে কখনোইরাজধানীবাসী দেখেনি। একটি দেশের রাজধানীর এমন চিত্র সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ সকলকেই ভাবিয়ে তুলেছে। যা আগামী দিনে ভয়াবহ পরিস্থিতি নগরবাসীর দিকে ধেয়ে আসছে এযেন তারই ইংগিত দিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে প্রতিদিনকার দীর্ঘ ভোগান্তি যানজট তো আছেই।

অপরদিকে রাজধানীর যানজটে প্রতিদিন গড়ে ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে (!) এই তথ্য উঠে এসেছে বিশ্বব্যাঙ্ক কর্তৃক প্রকাশিত ‘টোয়ার্ডস গ্রেট ঢাকা: এ নিউ আরবান ডেভেলপমেন্ট প্যারাডাইমইস্টওয়ার্ড’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়ছে বর্তমানে রাজধানীতে যান চলাচলের গতি প্রতিঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার যা গত ১০ বছর আগে ছিল ২১ ঘণ্টায়। অথচ মানুষেরহাঁটার গতি প্রতিঘণ্টায় ধরা হয়ে থাকে ৫ কিলোমিটার। তাহলে এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে এই পরিস্থিতি থেকে যদি বের হয়ে আসা না যায়, তাহলে আগামীতে আমাদের পায়ে হেঁটেই চলাচল করতে হবে!

রাজধানীতে প্রতিদিনই কাক-ডাকা ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত যানজট বিস্তার লাভ করছে। ফলে ঢাকাবাসীকে বিশ পঁচিশ মিনিটের রাস্তা পেরুতে হলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা অথবা তারওবেশি সময় ব্যয় করতে হচ্ছে! যা রীতি মতো ভয়ানক একটা ব্যাপার। ফলে নাগরিক জীবনে প্রতিদিনই ঘটছে ছন্দ-পতন। যানজট নিরসনে একের পর এক ফ্লাইওভার তৈরি হচ্ছে। কিন্তু, এতে করেওকাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বরং দিনদিন পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ফ্লাইওভারই নির্মাণ যথেষ্ট নয়। পুরো ঢাকাকে যদি ফ্লাইওভার দিয়ে ঢেকেদেয়া হয়, তবুও যানজট সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য দরকার ভিন্ন চিন্তা-ভাবনা। ঢাকা শহরের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য এখান থেকে জনসংখ্যার চাপ কামানো দরকার।প্রয়োজন কার্যকরি পদক্ষেপ। কেননা, রাজধানীতে প্রতিদিন যেভাবে মানুষ আর গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, আগামী পাঁচ বছর পর তা কোন পর্যায় গিয়ে দাঁড়াবে (!) তা এখনই ভাবতে হবে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে (নিপোর্ট) তাদের এক বিশ্লেষণে দেখিয়েছিল যে, ঢাকা মহানগর এলাকায় প্রতিদিন ১ হাজার৪১৮ জন মানুষ বাড়ছে। যা বছর শেষে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ সাড়ে ১৭ হাজারে। তাহলে এই তিন বছরে এই সংখ্যাটা কত হতে পারে, তা নির্দি¦ধায় অনুমান করা যায়। একই সাথে এটুকুও বলা যেতে পারেযে, এই ধারা অব্যহত থাকলে আগামী ৫ বছরে ঢাকার জনসংখ্যা ২ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

Reneta

বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট ধরে যদি আমরা এগিয়ে যাই এবং বর্তমান ঢাকার সাথে আগামীর ঢাকা কেমন হবে তা যদি নির্ণয় করি, তাহলে এখানে ফলাফল দাঁড়াবে ‘ভয়াবহ’ পরিস্থিতি। বর্তমানেই যদিযানজটের কারণে প্রতিদিন উল্লেখিত কর্মঘণ্টা এবং আথির্ক ক্ষতি হয় আগামী তা কোন পর্যায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা সহজেই অনুমেয়। ফলে প্রতিদিন ঢাকামুখী মানুষের যে ঢল তা ঠেকানো ছাড়া বিকল্পকোনো পথ খোলা আছে বলে মনে হচ্ছে না।

অনেকেই মনে করে থাকেন যানজট সমস্যার মূলে ফুটপাত দখল একটি প্রধান কারণ। তা না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু ফুটপাত যদি দখলমুক্ত করা হয় তাহলে কী এই যানজট সমস্যা সমাধান সম্ভব?হয়তো কিছুটা সম্ভব। কিন্তু ঢাকা থেকে ফুটপাত একেবারেই দখলমুক্ত করা কী সম্ভব? কেননা, মানুষের চাহিদার জন্যই ফুটপাত দখল হচ্ছে। এই চাহিদা যেহেতু মানুষের, সেহেতু ফুটপাত সকালে বেদখলকরলে বিকেলে আবার দখল হবেই। ফলে যানজট নিরসনের জন্য শুধু ফুটপাতের পিছনে ছুটলেই হবে না।

প্রতিদিন রাজধানীতে যেভাবে মানুষের চাপ বাড়ছে তার রাশ টানতেই হবে। তা না হলে যানজট নিরসন কখনোই সম্ভব নয়। কেননা, মানুষের চাপ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই গাড়ির চাপ বাড়বে। তাইরাজধানী থেকে মানুষের চাপ কমাতে হবে। এখান থেকে মানুষের চাপ কমলে কমে যাবে গাড়ির চাপও। সেই সাথে ফুটপাত থেকেও কমবে দখলদারের সংখ্যা। ফলে রাজধানী থেকে যানজট নিরসন হবেসহজতর। তা না হলে ঢাকাকে যানজটমুক্ত করা সম্ভব হয়ে উঠবে না। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা এবং কার্যকরি পদক্ষেপ। একই সাথে দরকার ব্যবসায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতা। অর্থাৎসরকার এবং ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগই পারবে ঢাকাকে যানজটমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তোলতে। এজন্য দরকার কিছু সুষ্ঠু-সুন্দর পরিকল্পনা। যার মাধ্যমে সমগ্র মানুষও তাদের যৌথ উদ্যোগের সাথেএকাত্মতা প্রকাশ করে শামিল হবে।

আমরা জনি যে, রাজধানীতে থাকার যে কষ্ট তাতে শখ করে কেউ এখানে থাকতে আসে না। বরং চাকরি, ভালো শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ভালো সুযোগÑ এসব কারণেই গ্রাম বামফস্বল থেকে প্রতিদিনই ঢাকামুখী হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। কেননা, রাজধানীতে যে সুযোগ সুবিধা রয়েছে অন্য শহরে তা পাওয়া সম্ভব নয়; তাই হাজার বিড়ম্বনা, যন্ত্রণা সহ্য করে দাঁত কামড়ে মানুষগুলোপড়ে থাকে এখানে। এসব মানুষগুলোকে ঢাকামুখী হওয়া থেকে ফেরাতে হবে। এ জন্য দরকার বিভিন্ন জেলা শহরে একাধিক উপশহর নির্মাণ। একই সাথে নির্মিত উপশহরের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাশহরগুলোকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সেখানে মানস্মত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তবে উপশহর নির্মাণের পর বসে থাকলেই হবে না। উপশহর নির্মাণের পর সেখানে স্থানান্তর করতে হবে রাজধানীর সকল কল-কারখানা, গার্মেন্টস বা এমন উৎপাদনশীল কোম্পানিগুলো। একই সাথেপ্রতিটি উপশহর নির্মাণের সাথে সাথে সেখানে নাগরিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। ভালো ভালো স্কুল-কলেজ, মানসম্মত হাসপতাল, কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি আধুনিক নাগরিক সুবিধার দিকটিবিবেচনায় আনতে হবে। মানুষ যদি নিজের শহরে রাজধানীর সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে তখন কেউ আর ঢাকামুখী হতে চাইবে না। এর ফলে জেলা শহরগুলো সমৃদ্ধ হবে এবং রাজধানী ঢাকা হবেআরো উন্নত।

ঢাকা শহরের বড় বড় উৎপাদনশীল কোম্পানি, গার্মেন্টস বা কল-কারখানা উপ-শহরে স্থানান্তর হলেও, এগুলোর দাপ্তরিক কাজকর্ম যেন রাজধানীতেই পরিচালিত হয়, এ ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।তা করা গেলে নিজ থেকেই ঢাকা শহর হতে কমে যাবে বৃহত্তম একটি জনগোষ্ঠী। সেই সাথে মানুষের যে স্রোত এই ঢাকাকেন্দ্রিক তা রোধ করা সম্ভব হবে। ফলে একদিকে ঢাকা যেমন হবে যানজটমুক্তনগরী, তেমনি হবে দূষণমুক্ত। সেই সাথে এই রাজধানী হবে একটি মডেল নগরী।

এর পাশাপাশি বর্তমানে যে জলজট নগরবাসীকে ভাবাচ্ছে তার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিভিন্ন ডোবা নালা, নদী দখল এবং নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কারণে এ জলাবদ্ধতাসৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি খাল, পুকুর এমনকি পয়ঃনিষ্কাশনের পথ প্রতিবন্ধকতা করে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে সেসব দখল অবমুক্ত করতে হবে। এ জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থাপুনঃসংস্করণ, ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-ডোবা-নদী নতুন করে খননসহ দখলমুক্ত করা না গেলে জলাবদ্ধতা আগামীতে আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।

কালক্ষেপন না করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির উৎসমূখগুলো এখনই বন্ধ করার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের দুই মেয়রকে ভুলে গেলে চলবে না, নগরবাসীর ট্যাক্সের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে দুই সিটি করপোরেশন। তাই নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে কোনো রকম গড়িমসি নয়, তাদের সেবাদানে যথাযথ উদ্যোগ এখনই গ্রহণ করতে হবে। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নগরবাসীকেও আরওসচেতন হতে হবে।

কেননা, এই পরিস্থিতির জন্য দখলদারা যেমন দায়ী সমানভাবে আমরাও দায়ী। রাজধানীতে জলাবদ্ধতার যে ভয়াবহতা তৈরি হয়েছে সে দায় আমরাও এড়াতে পারি না। যেমন, বিভিন্ন স্থানে ময়লাআবর্জনা, পলিথিন, অপচনশীল প্যাকেট ফেলছি, যা ড্রেনে মিশে যাচ্ছে। এতে পানি নিষ্কাশনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এর থেকে ফিরে আসতে হবে। নিজেকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশিপরিবারের অন্য সদস্যদেরও সচেতন করতে হবে। নির্দিষ্ট বিনে উচ্ছিষ্ট ফেলার অভ্যস গড়ে তুলতে হবে। একই সাথে মানুষের ভেতরে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সিটি করপোরেশনকেও উদ্যোগ নিতে হবে।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজধানী হতে পারে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

মে ২৫, ২০২৬

৮৫ বছরেও প্রজন্মের অনুপ্রেরণা বব ডিলান

মে ২৫, ২০২৬

‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হতে পারে’

মে ২৪, ২০২৬

হার দিয়েই ম্যানসিটি অধ্যায়ের ইতি টানলেন গার্দিওলা

মে ২৪, ২০২৬

সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক

মে ২৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop
Bkash Full screen (Desktop/Tablet) Bkash Full screen (Mobile)

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT