রাজধানীর উত্তরা আবদুল্লাহপুর ও আজমপুরে কারখানা শ্রমিকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। সকালে মিরপুরের কালশীতেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ছুড়ছে পুলিশ।
রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় সেখানে শুরু হয়েছে তীব্র যানজট। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে পোশাক শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কয়েকশ গার্মেন্টস শ্রমিক মিরপুরের কালশি এলাকায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে কালশীর ২২ তলা গার্মেন্টেসের পোশাক শ্রমিকরা রাস্তায় অবস্থান নেয়। তাদের অবস্থানের কারণে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একবার সরে গেলেও পরে শ্রমিকরা আবার অবস্থান নেয়।
শ্রমিকদের অভিযোগ, নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে তারা মূল সড়কে অবস্থান নিয়েছে। কারণ সরকার ঘোষিত নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করলেও মালিকপক্ষ তা দিচ্ছে না।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, শ্রমিকরা রাস্তার একপাশে অবস্থান করলেও আরেকপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সমস্যা সমাধানে পুলিশ মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে গত তিনদিনও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে পোশাক শ্রমিকরা।
এর আগে সোমবার রাজধানীর বিমানবন্দরের সামনে প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভে বাসে আগুন ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
রোববার সকাল ৯টার দিকে বেতন বৃদ্ধি ও বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে বিভিন্ন ফ্যাক্টরির পোশাক শ্রমিকরা রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।
তারা উত্তরার জসীমউদ্দীন, আজমপুর থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নেয়। এর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে নতুন স্কেলে কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেয়ার আশ্বাসে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে পোশাকশ্রমিকরা।








