যত ভালো বন্ধুত্বই থাকুক না কেন বাদীর পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার শর্তে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই জামিন আদেশ দেয়।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
জামিন আদেশের বিষয়ে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: মামলার বাদি ব্যারিস্টার আতিকুর রহমানের করা ফোরটুয়েন্টির (প্রতারণার) মামলায় ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। জামিনের শর্ত হিশেবে একটি অঙ্গীকারনামা দেয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, যতই ভালো বন্ধুত্ব থাকুক না কেন বাদী ব্যারিস্টার আতিকুর রহমানেরর পারিবারিক বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল আরো বলেন: আজকের এই জামিন আদেশের ফলে কায়সার কামালের মুক্তিতে আর বাধা নেই।
এর আগে ব্যারিস্টার আতিকুর রহমানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ ডিসেম্বর রাতে কায়সার কামালকে আটক করে কলাবাগান থানা পুলিশ। এরপর দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়: আতিকুর রহমানের অনুমতি ছাড়া তার স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ এবং গাড়িতে নিয়ে ঘুরে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন কায়সার কামাল। যার ফলে আতিকুর রহমানের সংসার জীবনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এরপর এই মামলায় গত ৫ ডিসেম্বর কায়সার কামালকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। অন্যদিকে কায়সার কামালের পক্ষে জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়।
দুই পক্ষের আবেদনের শুনানির পর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত কায়সার কামালকে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে আবার কায়সার কামালের করা জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। পরবর্তীতে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি।







