ডি ডোস অ্যাট্রাক, ডিগ ইফেক্ট, সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ, সার্ভার ওভারলোড, ওয়েব মাস্টার ইরর, ডেটা সেন্টারে সমস্যা সহ বেশ কিছু কারণে পৃথিবীর বেশ কিছু জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইট দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল।
এবার দেখে নেওয়া যাক কোন জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইট কি কারণে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল।
- মাইক্রোসফট: আইটি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের ওয়েব সাইট ডাউট হয়েছিল ২০১৪ সালের জুন মাসে। এক্সটার্নাল নেটওয়ার্ক নষ্ট হওয়ায় এ সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল মাইক্রোসফটকে।
তবে এ সাইটটি শুধুমাত্র ডাউট হয়েছিল আমেরিকার ক্লায়েন্টের জন্য। তারা প্রায় দশ ঘন্টা মাইক্রোসফটের লিনাক্স অনলাইন কমিউনিকেশন সার্ভিস এবং মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ অনলাইন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারে নি। ওই অঞ্চলের অনেকে আবার মাইক্রোসফটের ই-মেইল ও ব্যবহার করতে পারে নি।
- গুগল: সফটওয়ার বাগ জনিত কারণে আরেক আইটি জায়ান্ট গুগলের ওয়েবসাইট প্রায় এক ঘন্টা বন্ধ ছিল। ফলে জি-মেইল, গুগল ড্রাইভ, ক্যালেন্ডার এবং গুগল প্লাস ব্যবহার করতে পারেনি পৃথিবীব্যাপী সকল গুগলের ক্লায়েন্টরা।
এক ঘন্টা ওয়েব সাইট বন্ধের ফলে গুগলের স্ট্রক মার্কেটে ২.৪ শতাংশ শেয়ার পড়ে গিয়েছিল।
- টুইটার: ২০১৪ সালের ২ মার্চ অস্কার পুরস্কারে জনপ্রিয় মার্কিন কমেডিয়ান, টেলিভিশন উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী এলেন ডিজেনারেসের সেলফি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে দেওয়ার পর অতিরিক্ত রিটুইটে প্রায় ১৫ মিনিট টুইটার বন্ধ ছিল। ওই এক ঘন্টায় প্রায় ১৩ লক্ষ রিটুইট এসেছিল। যা টুইটারে রিটুইটের রেকর্ড।
টেক জায়ান্ট কোম্পানীগুলো সাইট ডাউন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ক্লায়েন্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।
সাইট ডাউনের পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে এরপর থেকে টেক জায়ান্টরা তাদের কনটেন্ট ডিসট্রিবিউশন নেটওর্য়াক(সিডিএন), ব্যাকআপ হোস্টিং এবং ডিএনএস ম্যানেজমেন্টের ওপর নজর রাখা শুরু করে।
এছাড়াও সাইট ডাউনের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাইটের ডেভেলপারসদের প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা উচিত। ডেভেলপারসরা কেমন দক্ষ, তাদের দ্বারা ক্লায়েন্টরা কতোটুকু সেবা পেয়ে থাকে, ওয়েব ডেভেলপিংয়ে কতোদিন ধরে তারা যুক্ত এসব তদারকিটাও জরুরি।










