যশোরের উপশহর এলাকায় চেং হি সং (৪৫) নামে এক চীনা নাগরিক পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজ প্রতিষ্ঠানের গোডাউন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তার দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অর্থ আত্মসাতের জন্য হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ৫ বছর ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছিলেন তিনি। দু’বছর আগে চীন থেকে ইজিবাইকের যন্ত্রাংশ আমদানি করে যশোরে ব্যবসা করতেন তিনি। নিহতের স্ত্রী টেমু লাই এন ঢাকায় থাকেন। রাতে কয়েকদফা ফোন করেও চেং হি কে না পেয়ে বিষয়টি তার কেয়ারটেকার নাজমুলকে থানায় জানাতে বলেন । পরে তার নিখোঁজের অভিযোগ নিয়ে দুই কর্মচারী মুকতাদির আহমেদ ও নাজমুল হাসান বুধবার রাতেই থানায় যান। দুইজনকেই সন্দেহ হলে পুলিশ তাদের নিয়েই অভিযানে নামে।
তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সকালে উপশহর মহিলা কলেজের পাশে ২ নম্বর সেক্টরের তিনতলা বাড়ির নীচ তলায় আমদানি করা যন্ত্রাংশের গুদাম থেকেই চেং হি সংয়ের হাত পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চেং হি সংয়ের ব্যবসায়িক কেয়ারটেকার ও দোভাষী নাজমুল হাসান এবং তার আত্মীয় মুক্তাদির রহমান রাজুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুজনের বাড়িই নেত্রকোনায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই টাকার জন্য খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করেন চেং হি। তিনি সর্বশেষ বাংলাদেশে আসেন গত ২৭ নভেম্বর।









