যশোর প্রতিনিধি: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে যশোর নতুন উপশহরের একই পরিবারের শিশুসহ তিনজন রয়েছেন। তাই বিমান বিধ্বস্তের খবরে শোকে স্তব্ধ যশোরের উপশহর এলাকার মানুষ। পরিবারে চলছে শোকের মাতম। বাকরুদ্ধ বাবা সাবেরুল হক।
উপশহর এ ব্লকের ২৪৫ নম্বর বাড়ির মেয়ে সানজিদা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজনের) প্রোগ্রাম অফিসার। তার স্বামী রফিক জামান রিমু পিএসপিএস নামে প্রতিবন্ধী নাগরিক সংগঠনগুলোর পরিষদের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ছিলেন। সক্রিয় সাংবাদিকতা ছেড়ে প্রতিবন্ধীদের আন্দোলন ও অধিকার নিয়ে কাজ করতেন আট নয় বছর ধরে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনার কাজ করেছেন তিনি। 
একমাত্র ছেলে অনিরুদ্ধকে নিয়ে থাকতেন রাজধানীর শুক্রাবাদ এলাকায়। ছোট্ট এই পরিবারটি নেপাল ভ্রমণে যাচ্ছিল ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজে চেপে। কাঠমান্ডু ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যান্ডিংয়ের ঠিক আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। এতে সানজিদা, রফিক ও তাদের সন্তান অনিরুদ্ধ মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে পরিবারটি।
উপশহরের সাবেরুল হকের তিন সন্তানদের মধ্যে সানজিদা হক বিপাশা সবার বড়। সানজিদা হকের দুই ভাই মিথুন ও মঈন। তারা ঢাকায় বসবাস করেন।








