ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর প্রচারপত্র লাগানোর সময় আইএস সমর্থক স্কুল ছাত্র মো. ফাহিম আল ফয়সাল ইবনে মূসা বিন জুলকার নাইন কে আটকের পর এ ঘটনার জিঞ্জাসাবাদের জন্য আরো ৮ জনকে আটক করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ।
ঈশ্বরগঞ্জ থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযানে শুক্রবার রাতে আঠারবাড়ি রায়ের বাজার থেকে ডাক্তার আব্দুর রশিদ ও তার ছেলে মিজানুর রহমান ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা সদর হায়দার এন্টারপ্রাইজের মালিক হায়দার আলীকে গ্রেফতার করে ডিবিতে নিয়ে যায়।
শনিবার দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ উপজেলা সদরের নাবিন টেলিকম সেন্টারের মালিক বদিউল হাসান (২০), হেলাল উদ্দিন (২০), জুনাইদ (২৬), মাসুদ মিয়া (২২), মজিবুর রহমান (২০) কে আটক করে। পুলিশ এ সময় নাবিন টেলিকমের দুটি কম্পিউটারের সিপিও দুটি মোবাইল ফোন একটি মডেম ও একটি পেনড্রাইভ জব্দ করে।
শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার মঈনুল হক মোবাইল ফোনে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা আইএস’র সমর্থক বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে তারা আইএস এর সদস্য কি না সে বিষয়ে জানতে আরো ব্যাপক তদন্ত চলছে। তিনি সন্দেহভাজন ৩ জন আটকের কথা স্বীকার করেছেন।
অপরদিকে ডিবি ওসি ইমারত হোসেন সন্দেহভাজন ৫ জন আটকের কথা স্বীকার করে জানান, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। আটকৃতদের আইএস বা জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
মোহাম্মদ ফাহিম আল ফয়সাল ইবনে মূসা বিন যুলকার নাইন ওরফে কিং ফয়সাল আঠারবাড়ী এমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। শুক্রবার বিকেলে সে জঙ্গি সংগঠন আইএস’র সমর্থনে মধ্যপ্রাচ্যের ডাক শিরোনামে কয়েকটি কবিতা সম্বলিত প্রচারপত্র সোহাগী স্কুল এন্ড কলেজের দেয়ালে লাগায়। এ সময় সোহাগী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ তাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।






