এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা আকস্মিক পানির ঢলে নেপালে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে ৩৮৪ পর্যটকের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
নেপালের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ভোতে কোশি নদীতে হঠাৎ পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়। নেপালি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নেমে আসা পানির ঢলেই এই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
নেপাল পুলিশের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র ডিআইজি অবিনারায়ণ কাফলের বরাতে নেপাল নিউজ জানিয়েছে, নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্গত অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকা থেকে ৩৮৪ জন পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় রয়েছেন।
এদিকে রসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের ২৬ সদস্যও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি দেশটির সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সাত সদস্যেরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
দুর্গত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলের সদস্য পাঠিয়েছে নেপাল সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।









