রাজধানীর উত্তরার আলাউদ্দিন সুপার মার্কেটে আগুনে ও লিফট ছিঁড়ে নিহতদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ জন। ওই আহত হয়েছে কমপক্ষে
অর্ধশতাধিক। অগ্নিদগ্ধ দুই জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে
চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
কর্তৃপক্ষ।
উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফট ছিঁড়ে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ছ’টার দিকে আগুনের সূত্রপাত। দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৪ জন। হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায় আরো ২ জন।
পুলিশের উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরা জানান, একাধিক তদন্ত কমিটি হয়েছে। এসব কমিটির রিপোর্ট সমন্বিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।
রাত পৌনে নয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র পরিচালক ব্রি. জে. মোহম্মদ আলী জানান, ভবনের বেজমেন্ট খালি রাখার নিয়ম থাকলেও এই ভবনটির বেজমেন্টে মসজিদ, অফিস গড়ে তোলা হয়েছিল।
ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় একই পরিবারের ৩ জনকে। এদের একজন প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান শনিবার সকালে হাসপাতালে মারা যান।
আহতদের প্রত্যেকের মুখমন্ডল এবং শ্বাসনালীসহ শরীরের অধিকাংশ পুড়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টি সার্জারি ইউনিটের চিকিৎসক অধ্যাপত ডা: সাজ্জাদ খন্দকার বলেন, ‘আহতদের শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। গুরুতর আহত মেয়ে দু’টিকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে রাখা হয়েছে।’
অগ্নিদগ্ধদের সুচিকিৎসায় শনিবার সকালে মেডিকেল বোর্ড গঠন করার কথা। তার আগেই সকাল ছটার দিকে মারা গেলেন শরীরের ৮৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়া প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান।








