ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কয়েকটি স্থানে একসঙ্গে হামলার ঘটনার সঙ্গে ৭ বছর আগের মুম্বাইয়ে আটটি স্থানে একযোগে সন্ত্রাসী হামলার মিল রয়েছে। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বাইয়ের প্রসিদ্ধ হোটেল তাজসহ আটটি স্থানে হামলা চালায় পাকিস্তান থেকে আসা ১২ অস্ত্রধারী। টানা চার দিন ধরে চালানো ওই হামলায় ১১ হামলাকারীসহ মারা যায় ১৬৪ জন। জীবিক গ্রেফতার হয় একজনকে।
৭ বছর পর প্যারিসের একটি আর্টসেন্টার, রেস্টুরেন্ট, স্টেডিয়ামসহ কয়েকটি জায়গায় বন্দুকধারীর গুলি ও আত্মঘাতী হামলায় দেড়শতাধিক মানুষ নিহত হয়। মুম্বাইয়ে হামলার সঙ্গে প্যারিসে হামলার অনেকটাই মিল রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে, প্যারিসের ছয়টি স্পটে চালানো হামলায় ৮ জন অংশ নেয়। ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব হামলাকারীই নিহত হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আত্মঘাতী হামলায়, অন্য ৫ জন বন্দুকধারী নিহত হয় পুলিশের গুলিতে।
এই হামলার ঘটনাকে প্যারিসের স্মরণকালের তথা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সব থেকে বড় হামলা বলে ধরা হচ্ছে।
হামলার ঘটনায় ফ্রান্সে জরুরী অবস্থা জারির পাশাপাশি কাউকে ছাড় না দেওয়ার হুঁশিয়ারী দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ।
মুম্বাইয়ের ওই হামলায় কাসাব নামের এক হামলাকারীকে জীবিত গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর কাসাবের ফাঁসি কার্যকর হয়।






