জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নানের সঙ্গে দেখা করতে বুধবার সকালে কাশিমপুর কারাগারে গেছেন তার পরিবারের ৪ সদস্য। বর্তমানে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন। কারাগার এলাকায় নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মঙ্গলবার মুফতি হান্নানের সঙ্গে দেখা করতে তার স্বজনদের চিঠি দেয় কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওইদিন দুপুরেই তার প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচের কপি পৌঁছায় কারাগারে।
মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগীর ফাঁসির রায় কার্যকরের কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনারোধে জেলায় বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জঙ্গিদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচের নথি কারাগারে এসে পৌঁছায়। সরকারের নির্দেশনা পেলে ফাঁসি কার্যকরে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে কারা প্রশাসন।
দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের জন্য এরই মধ্যে মহড়া হয়েছে। আর শীর্ষ জঙ্গি নেতা হান্নানকে রাখা হয়েছে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের হিমেল নামের কনডেম সেলে।
দু’জঙ্গির ফাঁসি কার্যকরকে কেন্দ্র করে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কারাগার ও আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশীদ।
ফাঁসির দণ্ড পাওয়া হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুলকে রাখা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের হাইসিকিউরিটি কারাগারে। আর দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপন আছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে।
ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ায় অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনাই ছিল এই তিন জঙ্গির আইন অনুযায়ী বাঁচার শেষ সুযোগ। গত ২৭ মার্চ কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিলেন তারা। এরই মধ্যে ওই আবেদন নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি।







