প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। শুরুতেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ওয়েন মরগান। কিউই ব্যাটসম্যানদের তাণ্ডবে শুরুটা দুর্দান্ত করেছে নিউজিল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১৭ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান।
১৭তম ওভারে রস টেলরকে ফিরিয়ে কিউইদের রানের চাকা টেনে ধরেন ক্রিস জর্ডান। অফ সাইডে তিনি মরগানের হাতে ক্যাচ দেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১৩৪। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন ক্যারি অ্যান্ডারসন এবং লিউজ রোচি।
উইলিয়ামসনের ১৬ রান পরই অর্ধশত থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে ফেরেন কলিন মুনরো। লিয়াম প্লাঁকেটের বলে তিনি মঈন আলীর হাতে ক্যাচ দেন।
কলিন মুনরো এবং উইলিয়ামসন জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। তাদের জুটি থেকে আসে ৭৬ রান। এরপরই ফিরে যান উইলিয়ামসন। মঈন আলীর শিকার হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান।
তৃতীয় ওভারের শুরুতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন গাপটিলকে ফিরিয়ে ইংলিশদের প্রথম সাফল্য এনে দেন ডেভিড ওয়ালি। বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গাপটিল। স্কোর বোর্ডে রান তখন মাত্র ১৭। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন কলিন মুনরো।
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ড আছে দারুণ ফর্মে। গ্রুপ অব ডেথ থেকে সবগুলো ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনালে পা দিয়েছিল কিউইরা। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হার দিয়ে শুরু করলেও পরের তিনটি ম্যাচ জিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইংল্যান্ড।
দুই দলই টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলছে দ্বিতীয়বারের মতো। ২০০৭ সালের প্রথম আসরের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। অন্যদিকে ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে গিয়েই বাজিমাত করেছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা ও ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে জিতেছিল বিশ্বকাপ শিরোপা।







