পাকিস্তানে সাংবাদিকতার ছাত্র মাশাল খান হত্যাকাণ্ডে এক মিনিট তিন সেকেন্ডের একটি বীভৎস ভিডিওতে চরমতম বর্বরতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মাশাল খান মাটিতে পড়ে আছেন। ততক্ষণে তিনি মৃত, সারা শরীরে রক্ত; ভিড় করা কিছু পাকিস্তানী আদিম উল্লাসে তাকে লাথি দিচ্ছে, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করছে।
কেউ কেউ একবার দুইবার আঘাত করেই ক্ষান্ত হয়নি, বারবার ফিরে এসে তাকে লাথি দিচ্ছে, মৃতদেহের উপর নৃত্য করছে।
সেসময় কাউকে কাউকে মোবাইল ফোনে ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে দেখা যায়।
নরহত্যার বীভৎস এ দৃশ্য সহ্য করা কঠিন বলে ভিডিওটি এখানে যোগ করা হয়নি।
পাকিস্তানের মারদান শহরের আবদুল ওয়ালি খান ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাশাল খানকে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হত্যা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলাম অবমাননাকর কথা প্রকাশের অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার তার বিশ্ববিদ্যালয়েরই বহু শিক্ষার্থী মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পিটিয়ে হত্যা করে তাকে। এই হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ।
এ ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত মোট ১২ জনকে মাশাল খান হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত আরও ব্যক্তিদের খোঁজা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
নিহত মাশাল খানকে যারা চিনতেন, সতীর্থ, বন্ধু ও শিক্ষক, তারা জানান, মাশাল ছিলেন একজন তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন কৌতুহলী শিক্ষার্থী, যিনি প্রকাশ্যে ইসলামের প্রতি আনুগত্য জানিয়ে এসেছেন। কিন্তু তিনি প্রশ্ন করতেন অনেক।








