বাংলাদেশ দলের এমন সাফল্যের পেছনে সবচে বেশি কাজ করছে ক্রিকেটারদের ‘পেশাদারিত্ব’। এমনটিই মনে করেন ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান এমপি। ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করতে টিম হোটেলে গিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বিসিবি সভাপতি।
সাফল্যের শুরুটা জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়ে, পরে অষ্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। এরপর হোম সিরিজে পাকিস্তান এবং সবশেষ বৃহস্পতিবার রাতে ভারতের বিপক্ষের অবিস্মরণীয় সাফল্য। সবমিলিয়ে গত ছয় মাসে ক্রিকেট মাঠে বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
শুক্রবার অফিশিয়াল টিম প্র্যাকটিস ছিলো না বাংলাদেশ এবং ভারতের। ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করতে দুপুরে টিম হোটেলে যান ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান এমপি। কি রহস্য টিম-টাইগার্সে কিভাবে বদলে যাওয়া সাংবাদিকদের এসব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের মধ্যে আগে ভয় ছিলো কার বিরুদ্ধে বোলিং করছি। কিন্তু বর্তমানে একটা ক্রিকেটারও ভয় পায় না কোনো দলকে বা কার বিরুদ্ধে বোলিং করছে। এই জিনিসটাই আমি মনে করি সাফল্যের প্রধাণ কারণ।
পাপন আরো বলেন, সবসময় আমি চেয়েছি প্রত্যেক ক্রিকেটাররা পেশাদারিত্ব হিসেবে ক্রিকেট খেলুক। আর এই জিনিসটা এখন ক্রিকেটাররা উপভোগ করছে। দল হিসেবে পারফর্ম করায় ঠিকঠাক ধরা দিচ্ছে এমন সাফল্য। তবে বোর্ড প্রেসিডেন্টের সবচে বেশি প্রশংসা ক্যাপ্টেন মাশরাফির জন্যই। তিনি বলেন, দলের এই অবস্থা শুধু একটাই কারণ ক্যাপ্টেন মাশরাফি। তিনি ক্যাপ্টেন হিসেবে খুব অসাধারণ। আমার জানা মতে মাশরাফি এমন একজন ক্রিকেটার যে নাকি পুরো সময় দলকে সাহস যুগিয়ে যায়।
বাংলাদেশের জন্য টেস্ট ও ওয়ানডে, দুই ফরম্যাটে দুই অধিনায়ক ঠিক করে দেয়াটাও নিজের একটি ‘সাহসি সিদ্ধান্ত’ ছিলো- মনে করেন বিসিবি’র প্রেসিডেন্ট।
সিরিজ নিয়ে আগাম মন্তব্য না করে, ম্যাচ বাই ম্যাচ এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান। রোববার মিরপুরে দ্বিতীয় এবং ২৪ জুন শেষ ওডআই খেলবে বাংলাদেশ ও ভারত।







