ইউক্রেনে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া- এমন অভিযোগের পর যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে, হামলার জন্য যে সামরিক শক্তি প্রয়োজন তার ৭০ শতাংশ প্রস্তুতিই নিয়ে ফেলেছে পুতিন। এমনকি মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী দখল করে নিতে পারে রাশিয়া।
সম্প্রতি পাওয়া বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের পর্যালোচনা প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে মার্কিন কর্মকর্তারা এ খবর জানান।
মার্কিন কংগ্রেস এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া এসব কর্মকর্তরা বলছেন, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া ১ লাখ ১০ হাজার সৈন্য জড়ো করেছে।
তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আসলেই আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা করেছেন কিনা- এ বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ নিশ্চিত নয়।
যদিও তারা মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া যেভাবে সৈন্য সমাবেশ করছে তাতে, মধ্য ফেব্রুয়ারি নাগাদ এ সংখ্যা প্রায় দেড় লাখে পৌঁছাবে, যা দিয়ে তারা পূর্ণ মাত্রায় হামলা চালাতে পারবে।
তাদের দাবি, পুতিন সব ধরনের বিকল্পই হাতে রাখতে চান। তিনি সীমিত থেকে শুরু করে বৃহৎ পরিসরেও হামলা চালাতে পারেন।
রাশিয়া ইউক্রেনে যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের পরিকল্পনার কথা বারবার অস্বীকার করে আসছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা আরো বলছেন, রাশিয়া যদি পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন বেছে নেয় তাহলে তারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী কিয়েভ দখল এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদামিরকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে।
এই ধরনের হামলায় ২৫ থেকে ৫০ হাজার বেসামরিক লোক মারা যাবে। একই সঙ্গে পাঁচ থেকে ২৫ হাজার ইউক্রেন সৈন্য এবং তিন থেকে ১০ হাজার রুশ সৈন্য মারা যাবে।
এছাড়াও এ সংঘাতের কারণে শরণার্থীর বন্যা বয়ে যাবে। ১০ থেকে ৫০ লাখ লোক শরণার্থী হিসেবে মূলত পোল্যান্ডের দিকে ছুটবে।
রুশদের যে কোনো আগ্রাসন থেকে ন্যাটো সদস্যদের রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতোমধ্যে শনিবার সেখানে মার্কিন সৈন্যের প্রথম দল পৌঁছেছে ।









