পছন্দের ফুটবলারকে দলে টানতে কার্পণ্য করে না জায়ান্ট ক্লাবগুলো। বিশাল অঙ্কের অর্থ ঢেলে হলেও লক্ষ্য পূরণ করা চাই। তুমুল প্রতিযোগিতাও দেখা যায় নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে ঘিরে। সার্জে গ্যানাব্রেকে দলে পেতে তেমন এক লড়াইয়েই নেমেছে বার্সা-রিয়াল। জার্মান তারকার জন্য স্প্যানিশ জায়ান্ট দ্বয়ের সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে লিভারপুল-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও।
২৬ বর্ষী গ্যানাব্রে খেলেন স্বদেশি ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে। আক্রমণভাগে বাভারিয়ানদের আস্থার নাম তিনি। আসছে গ্রীষ্ম দলবদলে তার সাথে চুক্তি শেষ হতে চলেছে বায়ার্নের। সুযোগ কাজে লাগাতে গ্যানাব্রের দিকে পাখির চোখ করেছে জায়ান্ট ক্লাবগুলো।
বায়ার্নে ১৫৪ ম্যাচে ৫৯ গোল ও ৩৭ অ্যাসিস্টে জাত চিনিয়েছেন গ্যানাব্রে। সকলকে ভাবতে বাধ্য করেছেন নিজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।
বার্সায় মেমফিস ডিপাইয়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তার জায়গায় এমন কাউকে চান জাভি হার্নান্দেজ, যার সামর্থ্য প্রমাণিত। সেই তালিকায় বার্সা কোচের চাহিদায় আসছে গ্রীষ্মে সবার আগে নাম গ্যানাব্রের।
বার্সাকে বরাবরের মতো টক্কর দেয়া ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদেরও চাই গ্যানাব্রেকে। পিএসজির ফরাসি তারকা কাইলিয়ান এমবাপে রিয়ালের চাহিদার শীর্ষে। চোটে থিতু হতে না পারা এডেন হ্যাজার্ডকে সরিয়ে বিকল্প হিসেবে গ্যানাব্রেকেই মনে ধরেছে রিয়ালের।
পিছিয়ে নেই লিভারপুলও। মোহাম্মেদ সালাহকে লক্ষ্য করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। মিশর তারকাকে নিয়ে পরিকল্পনায় দ্বিতীয়বার ভাবতে হচ্ছে অলরেড কোচ ইয়ূর্গেন ক্লপকে। সালাহর দীর্ঘমেয়াদি উত্তরসূরি হিসেবে গ্যানাব্রেকে ছাড়া আর কাউকে ভাবতে পারছে না লিভারপুল।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও পিছিয়ে নেই গ্যানাব্রেকে দলে টানার দৌড়ে। ম্যাশন গ্রিনউড অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ায় বিকল্প ভাবতেই হচ্ছে রালফ রাঙ্গনিককে। অ্যান্থনি মার্শিয়ালের ভবিষ্যতও অনিশ্চিত। আক্রমণে গতি ফেরাতে জার্মান ফরোয়ার্ডেই ভরসা খুঁজছেন রেড ডেভিল কোচ।
এসব যদিও এখন যদি-কিন্তুর হিসেবে। কারণ সব জল্পনা থামিয়ে দিতে পারেন বাভারিয়ানরা। চুক্তি নবায়ন করে ঘরের ছেলেকে ঘরে রেখে দিতে পারে তারাও। গ্যানাব্রেও বাভারিয়ানদের হয়ে খেলতে বেশি উপভোগ করেন বলেও নানা সময়ে বলেছেন।








