প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যাপ্তি অনেক বেশি হওয়ায় উপেক্ষিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ক্ষমতা না থাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকতে হয় কমিশনকে। এজন্য উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছেন কমিশনের সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর একে আজাদ চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিভিন্ন দেশের উচ্চ শিক্ষা পরিচালনার জন্য শিক্ষা কমিশন বা আলাদা মন্ত্রণালয় রয়েছে। বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার বিষয়টি দেখাশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। তবে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে পরিকল্পনা বা কর্মকাণ্ড পরিচালনায় মন্ত্রণালয়কে বাইরে রেখে কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান ডক্টর একে আজাদ চৌধুরী বলেছেন, অনেক চেষ্টা করার পরও উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন করতে না পারায় একটা বিশাল বেদনা কাজ করছে তার।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, বিশাল জনবল, দাফতরিক সিদ্ধান্তসহ হাজারো কাজের চাপে অবহেলিত থাকছে উচ্চশিক্ষা, এমন মন্তব্য করে ডক্টর আজাদ বলেন, উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন করে কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
২০০৮ সালে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়েছে তিন গুণ। তবে সে অনুযায়ী মান বাড়েনি বলে হতাশ প্রবীণ এই শিক্ষাবিদ।






