তথ্যপ্রযুক্তি

মঙ্গলে হেলিকপ্টার পাঠাবে নাসা

মঙ্গলগ্রহ-মার্স হেলিকপ্টার

২০২০ সালে মঙ্গলগ্রহে অবতরণযোগ্য নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তির একটি স্পেস রোভার পাঠাতে যাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আর এই রোভারটি হবে ছোট একটি হেলিকপ্টার।

মহাবিশ্বে কোনো গ্রহে হেলিকপ্টার জাতীয় যান পাঠানোর পরিকল্পনা এটাই প্রথম।

‘মার্স হেলিকপ্টার’ নামের এই যানটি রিমোট-কন্ট্রোলড প্রযুক্তিতে চলবে। অর্থাৎ দূর থেকে একে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

নাসা জানিয়েছে, এই হেলিকপ্টারে থাকবে পরস্পর বিপরীত দিকে ঘূর্ণায়মান দু’টো ব্লেড বা পাখা। এর ফিউজলাজ বা মূল কাঠামোটার আকার হবে একটি সফটবলের মতো।

রোভারটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যেন তা মঙ্গলগ্রহের পাতলা বায়ুমণ্ডলে যখন তখন উড়তে পারে। এর ব্লেডগুলো প্রতি মিনিটে প্রায় তিন হাজারবার ঘুরতে পারবে, যা পৃথিবীতে ব্যবহৃত হেলিকপ্টারগুলোর তুলনায় প্রায় ১০ গুণ।

নাসার জেট প্রোপালশান ল্যাবরেটরি’র অধীনে মার্স হেলিকপ্টার প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মিমি অং এক বিবৃতিতে জানান, পৃথিবীর হেলিকপ্টারগুলো সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ওঠে। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মাত্র এক শতাংশ।মঙ্গলগ্রহ-মার্স হেলিকপ্টার

‘সুতরাং আমাদের হেলিকপ্টার যখন মঙ্গলের পৃষ্ঠে থাকবে, তখন পৃথিবীর হিসেবে সে এক লাখ ফুট পর্যন্ত ওপরে উঠে যেতে পারবে,’ বলেন মিমি।

নাসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোটরক্রাফটটি একটি গাড়ির সমান বড় রোভারে সংযুক্ত অবস্থায় লাল গ্রহের পিঠে নামবে। মার্স হেলিকপ্টারকে মাটিতে নামিয়ে রেখে ওই রোভার নিরাপদ দূরত্বে চলে যাবে। সেখান থেকে এটি পৃথিবী থেকে পাঠানো নির্দেশ রিলে করবে হেলিকপ্টারের দিকে।

অবতরণের পর ব্যাটারিগুলো পুরোপুরি চার্জ হওয়ার পর হেলিকপ্টারটির টুকটাক ফাংশনের পরীক্ষা নেয়া হবে। এরপর পৃথিবী থেকে নিয়ন্ত্রণকারীরা একে নির্দেশ দেবেন প্রথম স্বতন্ত্র ফ্লাইটের জন্য।

নাসা প্রকাশিত ছোট একটি ভিডিওতে দেখুন, কেমন হতে যাচ্ছে মার্স হেলিকপ্টার:

বিষয়:নাসা মঙ্গলগ্রহ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…