গর্ভধারণের সম্ভাবনা না থাকলে যৌন জীবন আরও বেশি স্বতঃস্ফূর্ত এবং উপভোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞরাও এ ব্যাপারে একমত। তারা মনে করেন, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি না থাকলে যৌন জীবন অনেক বেশি সক্রিয় থাকে। এমনকি পুরুষরা উত্তেজনা এবং অর্গাজমের ক্ষেত্রেও বেশি তৃপ্তি লাভ করেন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। নিশ্চিন্তে থাকেন নারী সঙ্গীটিও।
পুরুষরা অনাগ্রহী হলেও তাদের সেই সুযোগ দেয় ভ্যাসেক্টমি যা পুরুষের একটি জন্মনিরোধক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে শুক্রবাহ কেটে, শেষ প্রান্তটিকে সার্জারির মাধ্যমে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে শুক্রাণু পরিবাহন প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। তবে শরীরে শুক্রাণুর সৃষ্টি হওয়া চলতে থাকে।
ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পুরুষদের জন্মনিরোধক পদ্ধতি ভ্যাসেক্টমির সঙ্গে যৌন জীবনের সম্পর্ক নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়েছেন। ২৯৪ জুটির উপর চালানো গবেষণায় দেখা গেছে, এ পদ্ধতি অবলম্বনের কারণে নারী এবং পুরুষ উভয়েরই যৌন তৃপ্তি বেড়েছে। আর তার কারণ হলো অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের দুশ্চিন্তা ছিল না যৌন কার্যের সময়।
গবেষক দলের মতে, ১২.৪ শতাংশ পুরুষ ভ্যাসেক্টমির পরে যৌন জীবনে তিনগুণ বেশি সক্রিয় হয়েছেন। মাত্র ৪.৫ শতাংশ জানিয়েছেন যৌনতায় আগের চাইতে কম সক্রিয় তারা।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ভ্যাসেক্টমি করিয়েছেন তারা মাসে গড়ে ৫.৯ বার যৌন কার্য করেন। গবেষণা অনুযায়ী অন্যরা এক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন। গড়ে ৪.৮ বার সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হন তারা। দ্য সান








